📌 সাতক্ষীরার বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের জন্য ১৩টি দুর্গা প্রতিমা তৈরিতে প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তা ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিমা শিল্পী প্রকাশ মণ্ডলের নেতৃত্বে চারজন কারিগর ৫২ দিনে এই নান্দনিক কারুকাজ সম্পন্ন করেছেন। মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি অর্ধেন্দু মণ্ডল জানান, দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
সাতক্ষীরা জেলার বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের জন্য ১৩টি দুর্গা প্রতিমা তৈরিতে অলংকার হিসেবে প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তা ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিমার শরীরে মাটির প্রলেপের ওপর রঙের কাজের পর মুক্তার নান্দনিক কারুকাজে ব্যস্ত কারিগররা। প্রতিমা তৈরিতে প্রায় চার লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে এবং এবারের আয়োজনের মূল আকর্ষণই হচ্ছে এই মুক্তার কারুকার্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরার বড়দল ইউনিয়নের বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে ১৩টি দুর্গা প্রতিমায় প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তা ব্যবহার করা হয়েছে
- 📌 প্রতিমা তৈরিতে চারজন শিল্পীর ৫২ দিন সময় লেগেছে এবং বর্তমানে ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে
- 📌 প্রতিমা শিল্পী প্রকাশ মণ্ডল দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার নকশা অনুসরণ করে প্রতিমার নকশা করেছেন
- 📌 মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি অর্ধেন্দু মণ্ডল জানান, দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
- 📌 আশাশুনি উপজেলায় মোট ১০৬টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে
📰 বিস্তারিত
বুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে শেষ মুহূর্তে। প্রতিমার শরীরে মাটির প্রলেপের ওপর রঙের কাজের পর মুক্তার নান্দনিক কারুকাজে ব্যস্ত কারিগররা। প্রতিমা শিল্পী প্রকাশ মণ্ডল জানান, প্রতিবছরই নতুন কিছু করার চেষ্টা করা হয়। এবারের নকশায় দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার কিছু মূর্তির আদলে এবং নিজস্ব পরিকল্পনা মিশিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রকাশ মণ্ডল বলেন, “মুক্তার কাজ খুব সূক্ষ্ম হওয়ায় সময় ও শ্রম দুটোই বেশি লেগেছে। চারজন শিল্পীর ৫২ দিন সময় লেগেছে। বর্তমানে প্রায় ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করছি, এক সপ্তাহের মধ্যেই বাকি কাজ শেষ হবে। দর্শনার্থীদের নতুন কিছু দেখানোর বিষয়টি মাথায় রেখেই এবারের প্রতিমার নকশা করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা সম্পন্ন হলে প্রতিমার সৌন্দর্য আরও ফুটে উঠবে।”
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি অর্ধেন্দু মণ্ডল বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব হয়ে আসছে। প্রতিবারই ঐতিহ্য ধরে রেখে নতুন কিছু করার চেষ্টা করি। এবার মুক্তার কারুকার্যের মাধ্যমে প্রতিমায় ভিন্নতা আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দর্শনার্থীরা যেন মণ্ডপে এসে নতুনত্ব অনুভব করেন, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।” তিনি আরও জানান, দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়তে পারে বিবেচনায় শুরু থেকেই নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মণ্ডপে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকেরাও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।
আশাশুনি পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার বৌদ্দ জানান, এ বছর উপজেলায় মোট ১০৬টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি মণ্ডপে নেওয়া হয়েছে ব্যতিক্রমী প্রতিমা ও নান্দনিক সাজসজ্জার উদ্যোগ। বড়দলের বুড়িয়ায় মুক্তাখচিত প্রতিমা, ঘুঘুমারীতে ঝরনার আদলে বিশেষ আয়োজন এবং বুধহাটা কাছারীবাড়ি ও দক্ষিণ বড়দলে ডাল দিয়ে প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। পূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ মণ্ডপ গুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।
"দর্শনার্থীদের নতুন কিছু দেখানোর বিষয়টি মাথায় রেখেই এবারের প্রতিমার নকশা করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা সম্পন্ন হলে প্রতিমার সৌন্দর্য আরও ফুটে উঠবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বড়দল ইউনিয়ন, আশাশুনি উপজেলা, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকাশ মণ্ডল (প্রতিমা শিল্পী), অর্ধেন্দু মণ্ডল (সভাপতি), রনজিত কুমার বৌদ্দ (সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ হাজার মুক্তা, ১৩টি প্রতিমা, ৫২ দিন, ৯৭ শতাংশ কাজ, ১০৬টি মন্দিরে দুর্গাপূজা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!