📌 বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) নতুন আমদানি নীতিতে রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে দাবি জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, এতে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের পরিবেশবান্ধব গাড়ি কেনার সুযোগ কমবে এবং ইভি শিল্প বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে
বাংলাদেশে রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) আমদানির অনুমতি সম্পূর্ণভাবে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। নতুন আমদানি নীতিতে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। সংগঠনটি দাবি করেছে, এই নিষেধাজ্ঞা মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য পরিবেশবান্ধব গাড়ি কেনার সুযোগকে সংকুচিত করবে এবং দেশীয় ইভি শিল্পের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতিতে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা আগের নীতিতে ছিল না
- 📌 মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য তুলনামূলক কম দামে পরিবেশবান্ধব গাড়ি কেনার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে
- 📌 ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রিকন্ডিশন্ড মোটরযান খাত দেশের যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থায় অবদান রেখেছে
- 📌 বিশ্বের বিভিন্ন দেশ (যুক্তরাজ্য, জর্জিয়া, কেনিয়া, সৌদি আরব, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা) রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির জন্য শর্তসাপেক্ষ নীতিমালা অনুসরণ করে
- 📌 ৭ এপ্রিল থেকে ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাক আমদানিতে শুল্ক-কর সুবিধা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো আমদানি হয়নি
- 📌 ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বারভিডা বলেছে, নতুন আমদানি নীতিতে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানি নিষিদ্ধ করার ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জন্য পরিবেশবান্ধব গাড়ি কেনার সুযোগ কমে যাবে। তারা দাবি করেছে, নতুন ইভির দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তুলনামূলক কম দামে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ থাকলে সাধারণ ক্রেতারা জ্বালানি সাশ্রয়ী যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ পেতেন।
সংগঠনটি আরও উল্লেখ করেছে, রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানি ও ব্যবহার বাড়লে চার্জিং অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় বাজার তৈরি হবে। এতে ব্যাটারি ডায়াগনস্টিক, মোটর ও কন্ট্রোলার সার্ভিসিং, সফটওয়্যার ডায়াগনস্টিক, উচ্চ-ভোল্টেজ নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ এবং ব্যাটারি পুনর্ব্যবহারের মতো নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
বারভিডা দাবি করেছে, রিকন্ডিশন্ড ইভিকে দেশীয় ইভি শিল্পের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখার পরিবর্তে শিল্প বিকাশের প্রাথমিক সেতু হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তারা বলেছে, আমদানি, ব্যবহার, সার্ভিসিং, যন্ত্রাংশ, প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে দেশে ইভি অ্যাসেম্বলি ও উৎপাদনশিল্প গড়ে তোলার ভিত্তি তৈরি হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে বারভিডার পক্ষ থেকে বলা হয়, গত ৭ এপ্রিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) শিক্ষার্থী, সাধারণ যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের জন্য ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাক আমদানিতে শুল্ক-কর সুবিধা দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ওই সুবিধার আওতায় কোনো ইলেকট্রিক বাস বা ট্রাক আমদানি হয়নি বলে দাবি করে বারভিডা। তারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এনবিআরের পর্যালোচনা চেয়েছে।
বারভিডা আরও দাবি করেছে, ইভি নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষা, জ্বালানি সাশ্রয়, বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ, ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও চার্জিং অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়গুলো একসঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তারা নতুন আমদানি নীতির সংশ্লিষ্ট ধারা সংশোধন করে শর্তসাপেক্ষে ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক যানবাহন আমদানির সুযোগ পুনর্বহাল করার আবেদন করেছে।
"রিকন্ডিশন্ড ইভিকে দেশীয় ইভি শিল্পের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে না দেখে শিল্প বিকাশের প্রাথমিক সেতু হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। আমদানি, ব্যবহার, সার্ভিসিং, যন্ত্রাংশ, প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে দেশে ইভি অ্যাসেম্বলি ও উৎপাদনশিল্প গড়ে তোলার ভিত্তি তৈরি হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (সংবাদ সম্মেলন), বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা:
- ২৪ আগস্ট ২০২৬ — নতুন আমদানি নীতির প্রকাশ
- ৭ এপ্রিল ২০২৬ — ইলেকট্রিক বাস/ট্রাক আমদানিতে শুল্ক-কর সুবিধা প্রদান
- ২২ ক্যারেট — সোনার মান
- ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৪০ টাকা — প্রতি ভরি সোনার দাম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!