📌 ৯ সেপ্টেম্বর হংকংয়ে অনুষ্ঠিত বেল্ট অ্যান্ড রোড সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশ ও হংকং দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির ফলে বাংলাদেশে হংকংয়ের বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে
৯ সেপ্টেম্বর হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম বেল্ট অ্যান্ড রোড সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশ ও হংকং সরকার দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি (আইপিপিএ) স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি হংকংয়ের বিনিয়োগকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ সেপ্টেম্বর হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম বেল্ট অ্যান্ড রোড সামিট ২০২৬র উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশ-হংকং বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি (আইপিপিএ) স্বাক্ষরিত হয়।
- 📌 বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং হংকং সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নবিষয়ক সেক্রেটারি আলজের্নন ইএই।
- 📌 চুক্তির ফলে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের বিনিয়োগকারীদের পারস্পরিক বিনিয়োগ ও পুঁজির সুরক্ষা আরো জোরদার হবে।
- 📌 গত পাঁচ বছরে হংকং থেকে বাংলাদেশে ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং শুধু ২০২৫ সালে ১২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণ করেছে।
- 📌 নতুন চুক্তির ফলে বাংলাদেশে হংকংয়ের বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ও হংকং সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষার লক্ষ্যে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। হংকং বর্তমানে বাংলাদেশের সপ্তম বৃহত্তম বিনিয়োগ উৎস। নতুন চুক্তির ফলে বাংলাদেশে হংকংয়ের বিনিয়োগ আরো বাড়তে পারে, যা অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগও তৈরি হবে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের প্রবাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
"চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের বিনিয়োগকারীদের পারস্পরিক বিনিয়োগ ও পুঁজির সুরক্ষা আরো জোরদার হবে। এতে বিনিয়োগের পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হংকং, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আলজের্নন ইএই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৫ বছরে), ১২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০২৫)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!