📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নওগাঁর চাষিরা কৃত্রিম সার সংকটে পড়ছে: নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার কেনার বাধ্য

নওগাঁর চাষিরা কৃত্রিম সার সংকটে পড়ছে: নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার কেনার বাধ্য

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নওগাঁ জেলায় আমন ধানের চাষের মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কৃষকদের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার কেনার বাধ্য করছে অসাধু ব্যবসায়ী। বিঘাপ্রতি ১ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচে পড়ছেন চাষিরা। সরকারি তথ্যমতে, সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও বাজারে সংকটের ভান করে দাম বাড়ানো হচ্ছে

নওগাঁ জেলায় আমন ধানের চাষের মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃষকদের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার কেনার বাধ্য করছে। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকদের পকেট কাটছেন একশ্রেণির ব্যবসায়ী। ফলে বিঘাপ্রতি অন্তত ১ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচে পড়ছেন চাষিরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নওগাঁ জেলায় ৫০ কেজি ইউরিয়া ও ডিএপি সারের বস্তায় সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে
  • 📌 বিঘাপ্রতি উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রান্তিক কৃষকদের বিপাকে পড়ছে
  • 📌 সরকারি তথ্যমতে, জেলায় ১ লাখ ৯৬ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ৪৩ হাজার ৭৯ টন সার বরাদ্দ রয়েছে
  • 📌 নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, সারের সংকট নেই, কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে লাভ করছে
  • 📌 সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকদের

📰 বিস্তারিত

নওগাঁ জেলার মাঠজুড়ে এখন আমন ধানের সবুজের সমারোহ। কৃষকেরা পরিচর্যা ও আবাদে ব্যস্ত থাকলেও সারের কৃত্রিম সংকট তাদের চাষাবাদের খরচ বাড়িয়ে তুলেছে। সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃষকদের পকেট কাটছে। মাঠপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জমিতে পানি সেচ, কীটনাশক এবং আগাছা পরিষ্কারের পাশাপাশি সারের প্রয়োজন হলেও বাজারে সার পাচ্ছেন না কৃষকেরা। অনেক ক্ষেত্রে সারের সংকটের ভান করে খোলা বাজারে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

মহাদেবপুর উপজেলার খোদ্দনারায়নপুর এলাকার কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমি আড়াই বিঘা জমিতে আমন চাষ করছি। সারের এই বাড়তি দামের কারণে চলতি মৌসুমেই আমার দেড় হাজার টাকার বেশি অতিরিক্ত খরচ হয়ে যাচ্ছে। বাজারে সার পাওয়া যাচ্ছে না, আর পেলেও দিতে হচ্ছে অস্বাভাবিক দাম।’ মান্দা উপজেলার গণেশপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদের হিরা বলেন, ‘অতিরিক্ত দামের কারণে কৃষকদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। সরকারি গুদামে সার উপচে পড়ছে বলে শুনি, অথচ দোকানে গেলে বাড়তি টাকা না দিলে সারও মেলে না।’

সদর উপজেলার হাপানিয়া এলাকার কৃষক আফছার মণ্ডল বলেন, ‘নির্ধারিত দামে কিনতে গেলে বলা হয়, সার নেই। কিন্তু যখনই বাড়তি টাকা দেওয়া হয়, তখনই সার বের হয়ে আসে। সঠিক সময়ে জমিতে সার দিতে না পারলে ফসলের কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া যাবে না।’ নওহাটা বাজারের খুচরা সার ব্যবসায়ী মেসার্স পাল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সুমন্ত পাল বলেন, ‘কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সারের সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়তি দামে সার কিনে কিছুটা লাভে বিক্রি করতে হয়।’

বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের নওগাঁ জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, ‘জেলায় সারের আসলে কোনো সংকট নেই। তবে যদি কোনো অসাধু চক্র বা ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের কাছে বাড়তি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

"জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ সারের মজুত ও সরবরাহ রয়েছে। সারের সংকট হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। ডিলারের কাছে গিয়ে কোনো কৃষক ৫ কেজি বা ১০ কেজি যা-ই চাইবে, তা-ই দিতে হবে। সরকারি নির্ধারিত দামের বাইরে কেউ বিক্রি করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মনজুর রহমান বলেন, ‘জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ সারের মজুত ও সরবরাহ রয়েছে। সারের সংকট হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। নওগাঁ বর্তমানে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় আছে। প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারি নির্ধারিত দামের বাইরে কেউ বিক্রি করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে ডিলার বা খুচরা ব্যবসায়ী দাম বেশি নিচ্ছেন, তাঁর নাম-ঠিকানা আমাদের দিন। সত্যতা পেলে তাৎক্ষণিক ডিলারশিপ বাতিল করা হবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নওগাঁ জেলা (মহাদেবপুর, মান্দা, সদর, নওহাটা উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুর রহমান, আব্দুল কাদের হিরা, আফছার মণ্ডল, সুমন্ত পাল, মিজানুর রহমান তালুকদার, মো. মনজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ কেজি সার, ৪০০-৫০০ টাকা অতিরিক্ত দাম, ১ লাখ ৯৬ হাজার ১২৫ হেক্টর চাষের লক্ষ্যমাত্রা, ৪৩ হাজার ৭৯ টন সার বরাদ্দ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖