📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশের ঋণ মহাসাগরে ডুবার ঝুঁকি: ২০৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনবেন সরকার?

বাংলাদেশের ঋণ মহাসাগরে ডুবার ঝুঁকি: ২০৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনবেন সরকার?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ ২০৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হয়ে গেছে, যা জিডিপির ৪০ শতাংশের বেশি। শেখ হাসিনার শাসনামলে ঋণ গ্রহণের অপচয় শুরু হলেও বর্তমান সরকারও সংযমে ব্যর্থ হচ্ছে। কর্ণফুলী টানেল ও বিআরটি প্রকল্পের মতো মেগা প্রকল্পে অপচয় ও ঋণ ফাঁদের ঝুঁকি বাড়ছে

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আপাতদৃষ্টিতে চমকপ্রদ মেগা প্রকল্পের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে ঋণের মহাসাগরে ডুবার ঝুঁকি। বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ ২০৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যা দেশের মোট জিডিপির ৪০ শতাংশেরও বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঋণ পরিমাণের কারণে বাংলাদেশ পাকিস্তানের মতো ঋণ ফাঁদে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে ঋণ গ্রহণের অপচয় শুরু হলেও বর্তমান সরকারও সংযমে ব্যর্থ হচ্ছে, বিশেষত অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশের ঋণ ২০৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা জিডিপির ৪০ শতাংশেরও বেশি
  • 📌 ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ঋণ পরিশোধের খরচ শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের বরাদ্দকে ছুঁয়ে ফেলেছে
  • 📌 কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হলেও ৩ হাজার কোটি টাকা অপচয় হয়েছে
  • 📌 ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্পে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরবাদ হওয়ার পর বাতিল করা হয়েছে
  • 📌 ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত বৈদেশিক ঋণের ৩৮ শতাংশ বিশ্বব্যাংক থেকে আসত
  • 📌 শেখ হাসিনার শাসনামলে ঋণ ২ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৮ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের ঋণ পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। বর্তমান সরকারের বাজেটে ঋণ পরিশোধের খরচ শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের বরাদ্দকে প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ঋণ পরিশোধের খরচ বাজেটের সবচেয়ে বড় খাতে পরিণত হবে। এতে বাংলাদেশও পাকিস্তানের মতো ঋণ ফাঁদে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের মতে, বৈদেশিক ঋণ একটি দেশের জন্য বিপজ্জনক হয় যখন তা জিডিপির ৪০ শতাংশের বেশি হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৬ বিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ২৩ শতাংশ। তবে প্রকল্পের অপচয় ও ঋণ গ্রহণের অপচয় এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হলেও ৩ হাজার কোটি টাকা অপচয় হয়েছে। ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্পে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরবাদ হওয়ার পর বাতিল করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার শাসনামলে ঋণ গ্রহণের অপচয় শুরু হলেও বর্তমান সরকারও সংযমে ব্যর্থ হচ্ছে। বিশেষত অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণে সংযমের অভাব দেখা যাচ্ছে। ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের ৩৮ শতাংশ বিশ্বব্যাংক থেকে আসত, ২৪.৫ শতাংশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকে, ১৭ শতাংশ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা থেকে, ৬.৮১ শতাংশ চীন থেকে, ৬.১৪ শতাংশ রাশিয়া থেকে এবং মাত্র ১.৩ শতাংশ ভারত থেকে।

"আমাদের অনেকেরই হয়তো জানা নেই যে বাংলাদেশ গত ৫৫ বছরে কখনোই বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি। উপরন্তু ২০২০-২১ অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিবছর আমাদের বৈদেশিক ঋণের সুদাসলে যে কিস্তি পরিশোধ করতে হতো, সেটিও সরকারের বাজেটের ৫ থেকে ৬ শতাংশের মতো হতো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০৪ বিলিয়ন ডলার (ঋণ), ৪০ শতাংশ (জিডিপির), ১১৬ বিলিয়ন ডলার (বৈদেশিক ঋণ), ২৩ শতাংশ (জিডিপির), ১০ হাজার কোটি টাকা (কর্ণফুলী টানেল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖