📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অপমান ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গড়ে তোলেন সবুজ সাফল্যের রাজ্য: নূর শাহানা কলির উদ্যোগের গল্প

অপমান ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গড়ে তোলেন সবুজ সাফল্যের রাজ্য: নূর শাহানা কলির উদ্যোগের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাকরি হারানোর পর সবুজ উদ্যোগে রূপান্তরিত হন যশোরের নূর শাহানা কলি। বর্তমানে তিনি বছরে চার-পাঁচ লাখ টাকার ব্যবসা চালান এবং পাঁচজনকে কর্মসংস্থান দেন। তার ১৫০-২০০ জাতের গাছের ব্যবসা থেকে ব্যাংক অফিসে গাছ ভাড়া দেওয়া পর্যন্ত বিস্তৃত সাফল্যের গল্প

অপমান, বঞ্চনা ও অর্থসংস্থানের অসুবিধার মধ্য দিয়ে নিজের স্বপ্নকে সফল উদ্যোগে রূপান্তরিত করেছেন যশোরের বৃক্ষপ্রেমী নূর শাহানা কলি। চাকরি হারানোর পর ঘরে বসে শুরু করা এই সবুজ যাত্রা এখন একটি লাভজনক ব্যবসায় রূপ নিয়েছে, যা পাঁচজন মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৫ বছর চাকরি করার পর কোভিডের সময় চাকরি হারান নূর শাহানা কলি; তারপর শুরু করেন ঘরের ভেতরের গাছের ব্যবসা
  • 📌 বর্তমানে তিনি বছরে চার-পাঁচ লাখ টাকা আয় করেন এবং পাঁচজন কর্মচারী নিয়োগ করেছেন
  • 📌 তার শোরুমে রয়েছে ১৫০ থেকে ২০০ জাতের গাছ, যার মধ্যে রয়েছে এরিকা পাম, র্যাপিস পাম, কাঠগোলাপ, জিজি, থাইল্যান্ডের বাঁশ ও বার্ড অব প্যারাডাইস
  • 📌 ব্যাংক অফিসে গাছ ভাড়া দেওয়া, অনুষ্ঠানের মঞ্চ সাজানো — তার ব্যবসার অন্যতম চাহিদা
  • 📌 চারবার জায়গা বদল করতে হয়েছে তার বাগানের জন্য; অনেকে বিষ দিয়ে গাছ নষ্ট করেছে
  • 📌 কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা পাঁচ লাখ টাকা ঋণ দিয়েছেন, যা তার সাফল্যের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে

📰 বিস্তারিত

যশোর শহরের পুরাতন কসবায় বাসকারী নূর শাহানা কলি তার জীবনের গল্পকে সবুজের সাথে জড়িয়ে রেখেছেন। কর্মজীবনে ২৫ বছর কাটানোর পর কোভিড মহামারির সময় চাকরি হারানোর পর তিনি নিজের ঘরে চারা তৈরি করে টবে বসিয়ে বিক্রি শুরু করেন। সেই ছোটো শুরু এখন একটি লাভজনক ব্যবসায় রূপ নিয়েছে, যেখানে তিনি বছরে চার-পাঁচ লাখ টাকা আয় করেন এবং পাঁচজন মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন।

ব্যবসার শুরুতে অর্থসংস্থানের অসুবিধা ছিল। ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ার জন্য তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। শেষমেশ একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে দুই লাখ টাকা ঋণ পান, কিন্তু জিম্মাদারের অপমানজনক মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ঋণ ফিরিয়ে দেন। তবে পরবর্তীতে কৃষি ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা পাঁচ লাখ টাকা ঋণ দিয়েছেন, যা তার ব্যবসার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

নূর শাহানা কলির বাগানে রয়েছে ১৫০ থেকে ২০০ জাতের গাছ, যার মধ্যে রয়েছে এরিকা পাম, র্যাপিস পাম, ৩০ ধরনের কাঠগোলাপ, গ্রিন ও রেড জিজি, থাইল্যান্ডের বাঁশ এবং বার্ড অব প্যারাডাইসের মতো আকর্ষণীয় গাছ। এছাড়াও রয়েছে ৩০-৩৫ প্রজাতির দীর্ঘজীবী ক্যাকটাস ও বৈচিত্র্যময় ঔষধি চারা। সবজির খোসা, কোকোপিট, ডিমের খোসা ও হাড়ের গুঁড়ো ব্যবহার করে তিনি পুরোপুরি অর্গানিক পদ্ধতিতে চারা তৈরি করেন।

তিনি তার ব্যবসার সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক হিসেবে গাছ ভাড়ার সেবা উল্লেখ করেন। যশোর শহরের সাতটি ব্যাংকের অফিসকে তিনি চুক্তিতে গাছ ভাড়া দেন। তার কর্মীরা মাসে দু-এক দিন গিয়ে পুরোনো গাছ বদলে নতুন সতেজ গাছ দিয়ে আসেন। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মঞ্চ সাজাতেও তার গাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

"আমার গাছগুলোর সজীব–সতেজ হয়ে ওঠা দেখি, ফুল ফুটতে দেখি তখন সব কষ্ট ম্লান হয়ে যায়। আমি এখন মানুষকে বলি, সবুজ গাছকে বন্ধু বানান। এতে মন অনেক ভালো থাকবে।"

নূর শাহানা কলি বলেন, “এই সবুজ উদ্যোগ না নিলে আমি হয়তো চারপাশের মানুষগুলোকে এত ভালোভাবে চিনতে পারতাম না। আমি দেখেছি, মানুষের সাফল্যে আশপাশের মানুষ কতটা ঈর্ষাপরায়ণ হতে পারে। অনেকে আমার গাছ নষ্ট করে দিয়েছে। একবার বিষ দিয়ে সব গাছ মেরে ফেলেছিল। সে কারণে আমার ছোট্ট এই বাগানটির জায়গা বদল করতে হয়েছে চারবার। কিন্তু যখন আমার গাছগুলোর সজীব–সতেজ হয়ে ওঠা দেখি, ফুল ফুটতে দেখি তখন সব কষ্ট ম্লান হয়ে যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোর শহর, পুরাতন কসবা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূর শাহানা কলি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০-২০০ জাতের গাছ, ৫ জন কর্মচারী, ২৫ বছর চাকরি, ৪-৫ লাখ টাকা বার্ষিক আয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖