📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশের ধাতব মুদ্রা: সচল হলেও বাস্তবে অচল, কেন বিলুপ্তির পথে?

বাংলাদেশের ধাতব মুদ্রা: সচল হলেও বাস্তবে অচল, কেন বিলুপ্তির পথে?

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের ধাতব মুদ্রা সচল হলেও দৈনন্দিন লেনদেনে ব্যবহার হচ্ছে না। ১৯৭২ সাল থেকে প্রচলিত এই মুদ্রাগুলির মধ্যে ১, ৫, ১০ ও ২৫ পয়সার ব্যবহার বিলুপ্তির পথে। ২০১৩ সালে জাপানের সহযোগিতায় তৈরি ২ টাকার মুদ্রাও বাস্তবে গ্রহণযোগ্য নয়

বাংলাদেশের ধাতব মুদ্রা সচল হলেও বাস্তবে তা অচল হয়ে পড়েছে। দৈনন্দিন লেনদেনে ১, ৫, ১০ ও ২৫ পয়সার মুদ্রা আর ব্যবহার হচ্ছে না। এমনকি ১ টাকা ও ২ টাকার মুদ্রাও গ্রহণযোগ্য নয়। সচল মুদ্রা হলেও বাস্তবে তা কার্যকর নয় — এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম টাকার প্রচলন শুরু হয়, যার একক ১ টাকা এবং ১০০ পয়সা
  • 📌 ১৯৭৩ সালে ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার ধাতব মুদ্রা চালু করা হয়, কিন্তু বর্তমানে ১, ৫, ১০ ও ২৫ পয়সার ব্যবহার বিলুপ্ত
  • 📌 ২০১৩ সালে জাপানের সহযোগিতায় ২ টাকার মুদ্রা তৈরি করা হয়, কিন্তু বাস্তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়
  • 📌 ১ টাকা ও ২ টাকার মুদ্রাও দোকানপাট ও ব্যাংকে গ্রহণ করা হয় না, ভিক্ষুকের হাতেও তা গ্রহণযোগ্য নয়
  • 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলারে ব্যাংকগুলোকে কয়েন গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে, কিন্তু গ্রাহকদের পকেটে এসব মুদ্রা নেই

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ সরকারি মুদ্রা হিসেবে টাকার প্রচলন শুরু হয়। টাকার একক নির্ধারণ করা হয় ১ টাকা এবং ১০০ পয়সা। ১৯৭৩ সালে ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার ধাতব মুদ্রা চালু করা হয়। এরপর ১৯৭৪ সালে ১ পয়সা এবং ১৯৭৫ সালে ১ টাকার মুদ্রা চালু হয়। বর্তমানে ৫ টাকার মুদ্রা সচল রয়েছে।

২০০৪ সালে স্টিলের তৈরি ২ টাকার মুদ্রা চালু হয়, যার সামনের দিকে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক এবং পানিতে ভাসমান শাপলা ফুলের নকশা ছিল। ২০১৩ সালে জাপানের একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করে ২ টাকার ৫০ কোটি মুদ্রা তৈরি করা হয়। এই মুদ্রার সামনে ছিল জাতীয় প্রতীক এবং পিছনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি।

বাস্তবে, ১, ৫, ১০ ও ২৫ পয়সার মুদ্রা দৈনন্দিন লেনদেনে ব্যবহার হচ্ছে না। দোকানপাট, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকগুলো এসব মুদ্রা গ্রহণ করছে না। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলারে ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকের কাছ থেকে কয়েন নিতে বলেছে, কিন্তু গ্রাহকদের পকেটে এসব মুদ্রা নেই। ভিক্ষুকের হাতেও এসব মুদ্রা গ্রহণযোগ্য নয়।

"১০০ পয়সায় ১ টাকা এই কথাটিও এক সময় বইয়ের পাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারাদেশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৭২ (মুদ্রা প্রচলন), ১০০ (পয়সা = ১ টাকা), ৫০ কোটি (২ টাকার মুদ্রা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖