📌 প্রতিরক্ষা খাতের সুশাসন সংস্কারে বাংলাদেশের ধীরগতি নিয়ে আলোচনা করেছেন জননীতিবিদ রিজওয়ান-উল-আলম। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্য তিনবার বাংলাদেশকে 'উচ্চ দুর্নীতির ঝুঁকি'র দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সাংসদীয় তদারকি ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রয়প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয়েছে
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের সুশাসন সংস্কারে ধীরগতির কারণ নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করেছেন জননীতিবিদ রিজওয়ান-উল-আলম। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে কোনো দেশের সামরিক সক্ষমতা ছাড়াও আর্থিক ব্যবস্থাপনা, প্রতিষ্ঠানের সততা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিকতা কতটা সুশৃঙ্খল তা কৌশলগত সক্ষমতার মাপকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৪ বছর ধরে** বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের সুশাসন সংস্কারে অস্বস্তিকর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মূল্যায়নেও প্রতিফলিত হচ্ছে
- 📌 **ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্য** তিনবার (২০১২, ২০১৫, ২০২০) বাংলাদেশকে 'উচ্চ দুর্নীতির ঝুঁকি'র দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে
- 📌 **সাংসদীয় তদারকি** ও **প্রতিযোগিতামূলক ক্রয়প্রক্রিয়া** বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয়েছে
- 📌 **জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে** অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের সততা ও জবাবদিহির বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে
- 📌 **বিপসট** (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং) প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে দুর্নীতির ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে
📰 বিস্তারিত
প্রতিরক্ষা খাতের সংস্কারে ধীরগতি নিয়ে আলোচনা করেছেন জননীতিবিদ রিজওয়ান-উল-আলম। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে কোনো দেশের সামরিক সক্ষমতা ছাড়াও আর্থিক ব্যবস্থাপনা, প্রতিষ্ঠানের সততা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিকতা কতটা সুশৃঙ্খল তা কৌশলগত সক্ষমতার মাপকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্য তিনবার (২০১২, ২০১৫ ও ২০২০) বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাত মূল্যায়ন করেছে এবং তিনবারই বাংলাদেশকে 'উচ্চ দুর্নীতির ঝুঁকি'র শ্রেণিতে রাখা হয়েছে।
রিজওয়ান-উল-আলম বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের সুশাসন সংস্কারে এত ধীরগতি কেন তা একটি জরুরি প্রশ্ন। কারণ, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যের পরবর্তী মূল্যায়ন প্রতিবেদন ২০২৭ সালে প্রকাশিত হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সাংসদীয় তদারকি একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত একটি সাংসদীয় স্থায়ী কমিটি রয়েছে, তবে শুধু কমিটির অস্তিত্বই কার্যকর তদারকির নিশ্চয়তা দেয় না। প্রশ্ন উঠেছে, প্রতিরক্ষা ব্যয়, সরঞ্জাম কেনাকাটা ও নীতি যথাযথভাবে পর্যালোচনা করার মতো তথ্য ও বিশেষায়িত জ্ঞান সংসদ সদস্যদের কাছে আছে কি না।
প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনাকাটার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ সরকারি কেনাকাটার সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতের ক্রয়প্রক্রিয়ার পার্থক্য রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু তথ্য গোপন রাখার প্রয়োজন হতে পারে। তবে গোপনীয়তা ও জবাবদিহির মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশের সামনে একটি মূল কাজ। বিশেষ পরিস্থিতির জন্য রাখা ব্যতিক্রম যেন নিয়মিত চর্চায় পরিণত না হয়।
জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা কার্যক্রম বাংলাদেশের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। বাংলাদেশের হাজারো সদস্য বিদেশে দায়িত্ব পালন করছেন। শান্তিরক্ষীদের প্রস্তুতিতে সততা ও জবাবদিহির বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে যুক্ত করা দরকার। বিদেশে মোতায়েনের আগে দেওয়া প্রশিক্ষণে দুর্নীতির ঝুঁকি মোকাবিলা, আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট) একটি কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে পারে।
"প্রতিরক্ষা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা বাংলাদেশের নিজের স্বার্থেই প্রয়োজন। এ সমস্যাকে শুধু সক্ষমতার ঘাটতি বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিজওয়ান-উল-আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!