📌 বাংলা কিউআর লেনদেন সম্প্রসারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১০০ কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল গঠন করেছে। আগামী অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে নতুন নিয়ম। ক্ষুদ্র বিক্রেতাদের সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে প্রণোদনা দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন ব্যবস্থা সম্প্রসারণে ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রণোদনা কর্মসূচি চালু করেছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই কর্মসূচির ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের লেনদেন মাশুল উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৪৫১তম সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ১০০ কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল অনুমোদিত হয়েছে
- 📌 ব্যক্তিপর্যায়ে নিবন্ধিত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতাদের দোকানে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে প্রণোদনা দেওয়া হবে
- 📌 মার্চেন্ট পয়েন্টে কিউআর কোড স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান পাবে লেনদেনের শূন্য দশমিক ১ শতাংশ প্রণোদনা
- 📌 গ্রাহকের টাকা পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠান পাবে লেনদেনের শূন্য দশমিক ২ শতাংশ প্রণোদনা
- 📌 নতুন নিয়মে ইন্টারচেঞ্জ রিইম্বার্সমেন্ট ফি সম্পূর্ণ শূন্য করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা জোরদারে বাংলা কিউআর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে এর ব্যবহারের হার কম। ক্ষুদ্র বিক্রেতাদের লাভের মার্জিন কম থাকায় তাঁরা লেনদেনের ১ থেকে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ মাশুলকে আর্থিক বোঝা হিসেবে দেখেন।
এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহিত করতে নতুন প্রণোদনা কর্মসূচি চালু করেছে। প্রণোদনার আওতায় মার্চেন্ট পয়েন্টে কিউআর কোড স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো লেনদেনের শূন্য দশমিক ১ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবে। অন্যদিকে গ্রাহকের টাকা পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পাবে লেনদেনের শূন্য দশমিক ২ শতাংশ প্রণোদনা।
এর আগে ব্যাংকগুলোকে ট্রেড লাইসেন্সধারী রিটেইল হিসাব বাংলা কিউআরে যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়ার পর প্রায় ২৪ লাখ ব্যবসায়ী যুক্ত হন। তবে লেনদেন মাশুল বেশি হওয়ায় তাঁরা ডিজিটাল মাধ্যমের পরিবর্তে নগদ লেনদেনকেই প্রাধান্য দিচ্ছিলেন।
"একটি টেকসই ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাশুল খাতে সহায়তার লক্ষ্যেই এই প্রণোদনা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।"
নতুন নিয়মে ইন্টারচেঞ্জ রিইম্বার্সমেন্ট ফি সম্পূর্ণ শূন্য করা হয়েছে। ফলে কিউআর কোড স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায়ীদের ওপর আরোপিত মাশুল কমাতে পারবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণোদনার অপব্যবহার রোধে কঠোর শর্ত আরোপ করেছে। কোনো বড় লেনদেনকে ভেঙে একাধিক ছোট লেনদেনে রূপান্তর করা যাবে না। ব্যর্থ, ফেরত বা বিরোধপূর্ণ লেনদেনের বিপরীতে কোনো প্রণোদনা দেওয়া হবে না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ কোটি টাকা, ২৪ লাখ ব্যবসায়ী, ২ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!