📌 চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৫৪ শতাংশ বেশি। নতুন নীতিমালায় উট পালনসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে
চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত অর্থবছরের তুলনায় এই লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৫৪ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরে কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
- 📌 গত অর্থবছরের তুলনায় লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে প্রায় ৫৪ শতাংশ
- 📌 নতুন নীতিমালায় উট পালন, হ্যাচারিতে মাছের পোনা উৎপাদন ও হাঁস-মুরগির বাচ্চা উৎপাদনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে
- 📌 রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর জন্য ২০ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোর জন্য ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা নির্ধারণ
- 📌 মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ বিতরণে নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ
📰 বিস্তারিত
আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে কৃষি ও পল্লি ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেন। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক, পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকেরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
নতুন লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর জন্য ২০ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা এবং বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, কৃষি খাতে পর্যাপ্ত ঋণের জোগান নিশ্চিত করার মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে নতুন এই কর্মসূচি।
কৃষকদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করতে নতুন নীতিমালায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, মৎস্য সম্পদ কর্মকর্তা ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার প্রত্যয়ন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। শস্য ও ফসল খাতে আয় সৃষ্টিকারী কার্যক্রমে যুক্ত কৃষকদের জন্য পল্লি ঋণ বিতরণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
"কৃষি খাতে পর্যাপ্ত ঋণের জোগান নিশ্চিত করার মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে নতুন কৃষি ও পল্লি ঋণ কর্মসূচি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হাজার কোটি টাকা, ৫৪ শতাংশ, ৩৯ হাজার কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!