📌 যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগস্ট মাসে ২৫.৬৫% বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড অর্জন করেছে। ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ১.৬১ বিলিয়ন ডলার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড গড়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরের আগস্ট মাসে একক মাসে সর্বোচ্চ ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পেয়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি। এই প্রবৃদ্ধি শুধু রপ্তানি আয় বাড়িয়ে তুলেছে না, বরং বিশ্বের বৃহত্তম একক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগস্টে ২৫.৬৫% বৃদ্ধি পেয়ে ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে
- 📌 গত অর্থবছরের একই মাসে রপ্তানি ছিল ৬৫০.৩৪ মিলিয়ন ডলার, এবার তা বেড়েছে ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি
- 📌 ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে মোট ১.৬১ বিলিয়ন ডলার
- 📌 আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি ১১.৪২% বেশি
- 📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে মাসিক গড় রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৮০৬.৪৬ মিলিয়ন ডলার
- 📌 বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেছেন, শীতকালীন পোশাকের অর্ডারের শেষ সময়ে রপ্তানি বেড়েছে
- 📌 বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেছেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড গড়া হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের আগস্ট মাসে একক মাসে সর্বোচ্চ ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পেয়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি। গত অর্থবছরের একই মাসে রপ্তানি ছিল ৬৫০ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার। এবার তা বেড়ে হয়েছে ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে মোট ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই রপ্তানি ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির মাসিক গড় দাঁড়িয়েছে ৮০৬ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মোট রপ্তানিকে ১২ মাসের সমান গড় হিসেবে ধরলে মাসিক গড় ছিল ৬৪৫ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় একক রপ্তানি বাজার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে তৈরি পোশাক থেকেই এসেছে ৭ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্য থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি রয়েছে।
"শীতকালীন পোশাকের অর্ডারের কার্যাদেশ দেওয়ার শেষ সময় হওয়ায় গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে। বৈশ্বিক নানা সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের একটি অন্তর্নিহিত সক্ষমতা রয়েছে। পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো সম্ভব হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব।"
বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান ও বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেছেন, শীতকালীন পোশাকের অর্ডারের শেষ সময়ে রপ্তানি বেড়েছে। তিনি আরও বলেছেন, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা রয়েছে। পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর মাধ্যমে রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব।
বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ও ফতুল্লা অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলে শামীম এহসান বলেছেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সরকারের নীতি-ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে এই সুযোগ আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফজলুল হক (এফবিসিসিআই প্রশাসক), ফজলে শামীম এহসান (বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫.৬৫% (প্রবৃদ্ধি), ৮১৭ মিলিয়ন ডলার (রপ্তানি), ৬৫০.৩৪ মিলিয়ন ডলার (গত বছরের তুলনা), ১.৬১ বিলিয়ন ডলার (প্রথম দুই মাসের রপ্তানি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!