📌 বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, পোশাক খাতে এআই ব্যবহারের বাড়ছে, কিন্তু শ্রমিকের বিকল্প হিসেবে এআই কাজ করবে না। দক্ষতা বৃদ্ধি ও শ্রমঘন বৈশিষ্ট্য রক্ষা করা হলো মূল লক্ষ্য। এআই ব্যবহৃত হচ্ছে ডিজাইন, মার্কেটিং, ডকুমেন্ট তৈরি ও অটোমেশনে
বাংলাদেশের পোশাক খাতের ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শ্রমিকদের স্থলাভিষিক্ত করবে না — এটিই বলেছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। তিনি দাবি করেছেন, এআই ব্যবহারের মাধ্যমে খাতের দক্ষতা বৃদ্ধি ও অটোমেশনের পাশাপাশি শ্রমঘন বৈশিষ্ট্যটি অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এআই শ্রমিকের বিকল্প নয়: বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, পোশাক খাতে এআই ব্যবহারের বাড়ছে, কিন্তু শ্রমিকদের স্থলাভিষিক্ত করা সম্ভব নয়।
- 📌 ডিজিটাল অ্যাপ্রুভালে এআই ব্যবহৃত হচ্ছে: আগে ফিজিক্যাল স্যাম্পল পাঠাতে সময় লাগত, এখন ডিজিটাল অ্যাপ্রুভালের মাধ্যমে এআই দ্রুত অনুমোদন প্রদান করছে।
- 📌 মার্কেটিং, ডকুমেন্ট ও ডিজাইনে এআই ব্যবহৃত হচ্ছে: শিপিং ডকুমেন্ট তৈরি থেকে শুরু করে মার্কেটিং মার্চেন্ডাইজিং ও ডিজাইন ডেভেলপমেন্টে এআই ব্যবহৃত হচ্ছে।
- 📌 অটোমেশন ও এআই আলাদা: মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, সব অটোমেশনই এআই নয়। সোয়েটার উৎপাদনে অটোমেশন বাড়ছে, কিন্তু শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হলো মূল লক্ষ্য।
- 📌 শ্রমিক সংখ্যা স্থিতিশীল রাখতে চাই: তিনি বলেছেন, এআই ব্যবহারের পাশাপাশি শ্রমিক সংখ্যা হঠাৎ কমে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে হবে।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, পোশাক খাতে এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিকেই অগ্রগতি হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এআই ব্যবহার হচ্ছে শিপিং ডকুমেন্ট তৈরি, মার্কেটিং, ইফিসিয়েন্সি বাড়ানোর জন্য এবং ডিজাইন ডেভেলপমেন্টে।
তিনি বলেন, ‘আগে আমরা ফিজিক্যাল স্যাম্পল পাঠাতাম বায়ারের কাছে, যা ইউরোপ বা আমেরিকায় বসে তাদের দেখত। এতে সময় ও খরচ লাগত। এখন ডিজিটাল অ্যাপ্রুভালের মাধ্যমে এআই দ্রুত অনুমোদন প্রদান করছে।’ তিনি এআই ও অটোমেশনের পার্থক্য তুলে ধরেন, ‘সব অটোমেশনই এআই নয়। অটোমেশন আমাদের সোয়েটার উৎপাদনে বাড়ছে, কিন্তু শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হলো মূল লক্ষ্য।’
মাহমুদ হাসান খান আরও বলেন, ‘আমরা যদি মনে করি এআই ব্যবহার না করলে আমরা কম্পিটিটিভ থাকব না, তাহলে আমরা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে থাকতে পারি। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের কম্পিটিটিভ থাকতে হবে — এটাই মূল লক্ষ্য।’ তিনি শ্রমিক সংখ্যা স্থিতিশীল রাখার গুরুত্বও জোরালোভাবে তুলে ধরেন, ‘এআই ব্যবহারের পাশাপাশি শ্রমিক সংখ্যা হঠাৎ কমে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে হবে।’
"আমাদের এখন এআই ব্যবহার হচ্ছে শিপিং ডকুমেন্টস তৈরি করতে। এআই ব্যবহার হচ্ছে মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে, ইফিসিয়েন্সি বাড়ানোর জন্য। এআই ব্যবহার হচ্ছে ডিজাইন ডেভেলপের ক্ষেত্রে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বিজিএমইএ কমপ্লেক্স, উত্তরা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদ হাসান খান (বিজিএমইএ সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!