📌 ২০২২ সালে বিবিএসের ৬৩৭ কোটি টাকার ধনী-গরিব তালিকা ব্যবহৃত না হওয়ায় সরকার আবার ৬৭৬ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের এই উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যমান তথ্য হালনাগাদ করলেই চলত
সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তৈরি ধনী-গরিবের জাতীয় খানা তথ্যভান্ডার (এনএইচডি) প্রকল্পে ৬৩৭ কোটি টাকা ব্যয় হলেও তা চার বছরেও ব্যবহৃত হয়নি। এ অবস্থায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে নতুন করে আরেকটি ধনী-গরিব তালিকা তৈরির প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৬ কোটি টাকা। বিবিএস কর্মকর্তারা বলছেন, বিদ্যমান তথ্য হালনাগাদ করলেই সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির জন্য উপযুক্ত তালিকা তৈরি করা সম্ভব ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২২ সালে বিবিএসের তৈরি ধনী-গরিব তালিকা ব্যবহৃত না হওয়ায় নতুন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৬ কোটি টাকা
- 📌 বিবিএস কর্মকর্তারা বলছেন, বিদ্যমান তথ্য হালনাগাদ করলেই সরকারের প্রয়োজন মিটত
- 📌 সমাজসেবা অধিদপ্তর বলছে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য বিশেষায়িত তথ্য সংগ্রহ প্রয়োজন
- 📌 প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা, যার মধ্যে তথ্য সংগ্রহ ও কার্ড তৈরিতে ব্যয় হবে
- 📌 বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে পাঁচ বছরে ব্যয় হবে প্রায় ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা
📰 বিস্তারিত
২০২২ সালে বিবিএস দেশের ধনী-গরিবের তথ্যভান্ডার তৈরিতে ৬৩৭ কোটি টাকা ব্যয় করলেও তা ব্যবহৃত হয়নি। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির জন্য উপযুক্ত উপকারভোগী নির্বাচনে এই তালিকা কাজে আসেনি। ফলে সরকার আবার নতুন করে ধনী-গরিব তালিকা তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ্ মোহাম্মদ মাহবুব বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য পরিবারের নারীপ্রধানের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে, যা বিবিএসের কাজ থেকে আলাদা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যমান তথ্য হালনাগাদ করলেই সরকারের প্রয়োজন মিটত। করোনা মহামারির সময় ধনী পরিবারগুলো সরকারি প্রণোদনা নিয়ে যাওয়ায় প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচনে সমস্যা দেখা দিয়েছে। বর্তমান সরকারও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করেছে, তবে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচনে তালিকার অভাব রয়েছে বলে জানান তারা।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য তথ্য সংগ্রহের অভিজ্ঞতা অধিদপ্তরের রয়েছে। দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহের কাজ করতে তারা আত্মবিশ্বাসী। তবে বিবিএস কর্মকর্তারা বলছেন, বিবিএসের তথ্য ব্যবহার না করে অন্য সংস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা সরকারের অর্থের অপচয় ছাড়া কিছু নয়।
"বিবিএসের তথ্য হালনাগাদ করাসহ ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা জরিপের তথ্যের সমন্বয় করতে পারলে বর্তমান প্রয়োজন মিটতে পারে। একই বিষয়ে একাধিক জরিপ করা সরকারের অর্থের অপচয় ছাড়া কিছু নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহ্ মোহাম্মদ মাহবুব (সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩৭ কোটি টাকা, ৬৭৬ কোটি টাকা, ১ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা, ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!