📌 গাজীপুরের কালিয়াকৈরে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ১৭৫ একর জমির কারখানায় ওষুধ উৎপাদনের বিস্তৃত প্রক্রিয়া দেখে জানা গেলো যে, ৩ হাজার ৬০০ কর্মী পালা করে দিন-রাত কারখানাটিকে চালিয়ে যাচ্ছেন। এখানে বছরে ৮০০ কোটি ট্যাবলেট ও ২০০ কোটি ক্যাপসুল উৎপাদিত হয়।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ১৭৫ একর জমির বিশাল কারখানায় ওষুধ উৎপাদনের বিস্তৃত প্রক্রিয়া দেখে জানা গেলো যে, এখানে দিন-রাত পালা করে ৩ হাজার ৬০০ কর্মী কাজ করে যাচ্ছেন। কারখানার মূল প্রবেশদ্বারে প্রবেশ করলে প্রথমে দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্যামসন এইচ চৌধুরীর প্রতিকৃতি। কারখানার দুটি প্রধান ভবনের দেয়ালে স্কয়ারের স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রতিষ্ঠানের লোগো দেখা যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৭৫ একর জমিতে** গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় পাঁচটি প্ল্যান্টে ট্যাবলেট, অ্যান্টিবায়োটিক, ইনজেকশন, ইনসুলিন ও চোখের ওষুধ উৎপাদিত হয়
- 📌 **৩ হাজার ৬০০ কর্মী** পালা করে দিন-রাত কারখানাটিকে চালিয়ে যাচ্ছেন, যেখানে বছরে **৮০০ কোটি ট্যাবলেট ও ২০০ কোটি ক্যাপসুল** উৎপাদিত হয়
- 📌 **২০১৪ সালে চালু** ফরমুলেশন ইউনিট-৫ এখন **৮০০ কোটি ট্যাবলেট ও ২০০ কোটি ক্যাপসুল** উৎপাদনের সক্ষম
- 📌 **কাঁচামাল থেকে প্যাকেট পর্যন্ত** ওষুধ তৈরির সমস্ত ধাপ (ডিসপেনসিং, গ্র্যানুলেশন, ব্লেন্ডিং, কমপ্রেশন, ইনক্যাপসুলেশন, কোটিং, প্যাকেজিং) একই ইউনিটে সম্পন্ন হয়
- 📌 **মান নিয়ন্ত্রণকক্ষ**ে উৎপাদিত ওষুধের নমুনা মাস থেকে বছরখানেক আগের পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে এবং নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়
📰 বিস্তারিত
কারখানার অ্যামেনিটি ভবনের সামনে থামে গলফ কার্টে। এই ভবনের নিচতলায় ক্যানটিন থেকে লেকের অবিরত নৃত্য এবং স্প্যানিশ স্থাপত্য রীতিতে তৈরি বাংলোর দৃশ্য মন কাড়ে। লেকের অন্য প্রান্তে নতুন প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ চলছে। কারখানার মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, স্কয়ারের কার্যক্রম ১৯৫৮ সাল থেকে পাবনা থেকে শুরু হয়েছিল। গাজীপুরের এই ইউনিট ২০০২ সালের শেষ দিকে কার্যক্রম শুরু করে।
কারখানার পাঁচটি প্ল্যান্টের মধ্যে একটিতে ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল তৈরি হয়, অন্য একটিতে সেফালোস্পোরিন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক, ইনজেকশন ও চোখের ওষুধ, আর একটি আলাদা ইউনিটে ইনসুলিন উৎপাদিত হয়। ওষুধ তৈরির প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন বিভাগ জড়িত, যেখানে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কর্মী কাজ করে।
ফরমুলেশন ইউনিট-৫ এ ২০১৪ সালে কার্যক্রম শুরু হয়। এই ইউনিটে বছরে ৮০০ কোটি ট্যাবলেট ও ২০০ কোটি ক্যাপসুল উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। ইউনিটের মিটিং রুমে স্কয়ারের মহাব্যবস্থাপক (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স) মীর মোতাহার হোসেন ওষুধ তৈরির নানা ধাপের বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ওষুধ তৈরির প্রতিটি ধাপে সূক্ষ্ম মান নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।
কারখানায় প্রবেশের সময় কঠোর সুরক্ষানীতি মেনে চলতে হয়। প্রথমে হাত স্যানিটাইজ করা, জুতা পরা, এয়ারলক পেরিয়ে মাস্ক ও অ্যাপ্রন পরতে হয়। উৎপাদন বিভাগের নির্বাহী কবির হোসেন বলেন, ‘এই ইউনিটে ট্যাবলেট, ক্যাপসুল ও ড্রাইসিরাপ পাউডার ফর সাসপেনশন তৈরি করা হয়। কাঁচামাল থেকে ওষুধ প্যাকেট পর্যন্ত সমস্ত ধাপ এখানে সম্পন্ন হয়।’
"এই ফরমুলেশন ইউনিটে ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, ড্রাইসিরাপ পাউডার ফর সাসপেনশন তৈরি করা হয়। কাঁচামাল থেকে ওষুধ প্যাকেট পর্যন্ত, মানে ডিসপেনসিং, গ্র্যানুলেশন, ব্লেন্ডিং, কমপ্রেশন, ইনক্যাপসুলেশন, কোটিং, প্যাকেজিং—সব ধাপ এখানে সম্পন্ন হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের কালিয়াকৈরে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল মামুন (মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক), মীর মোতাহার হোসেন (মহাব্যবস্থাপক), কবির হোসেন (উৎপাদন বিভাগের নির্বাহী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৫ একর জমি, ৩ হাজার ৬০০ কর্মী, ৮০০ কোটি ট্যাবলেট, ২০০ কোটি ক্যাপসুল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!