📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কম্বোডিয়া থেকে পরিচালিত অনলাইন প্রতারণায় ৩৪ লাখ টাকা হারান অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী, পিবিআই গ্রেপ্তার ৩ আসামি

কম্বোডিয়া থেকে পরিচালিত অনলাইন প্রতারণায় ৩৪ লাখ টাকা হারান অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী, পিবিআই গ্রেপ্তার ৩ আসামি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিমান টিকিট ব্যবসায়ের ভুয়া বিনিয়োগের ফাঁদে ৩৪ লাখ টাকা হারান অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী সায়েম উদ্দিন আহমেদ। পিবিআই কম্বোডিয়া-সংলগ্ন এই প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে এবং নিরাপত্তা জামানতের নামে আরও অর্থ নেওয়ার ঘটনাও উন্মোচিত হয়েছে

বিমান টিকিট ব্যবসায়ের ভুয়া বিনিয়োগের ফাঁদে অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী সায়েম উদ্দিন আহমেদের কাছ থেকে কম্বোডিয়া-সংলগ্ন একটি আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্র ৩৪ লাখ টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আজ সোমবার প্রেস ব্রিফিংয়ে এই ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে বলেছে, প্রতারণার মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে কম্বোডিয়ায় পাঠানো হতো।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৪ লাখ টাকা হারান অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী সায়েম উদ্দিন আহমেদ, যিনি বিমান টিকিট ব্যবসায়ের ভুয়া বিনিয়োগে আকৃষ্ট হন
  • 📌 প্রতারণা চক্র টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের আকৃষ্ট করত, পরে নিরাপত্তা জামানত নামে আরও অর্থ নেওয়ার চক্রান্ত
  • 📌 পিবিআই ৩ আসামি গ্রেপ্তার করেছে: মো. মেহেদী হাসান (২৭), সুমাইয়া খাতুন (২৪) ও আবুল হাসান (২৪)
  • 📌 গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, প্রতারণার অর্থ কম্বোডিয়ায় পাঠানো হতো
  • 📌 প্রতারণা চক্রের সদস্যরা ফেসবুক ও টেলিগ্রাম ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের আকৃষ্ট করত

📰 বিস্তারিত

প্রতারণার সূত্রপাত হয় ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে। অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী সায়েম উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে টেলিগ্রামের মাধ্যমে পরিচয় হয় এক ব্যক্তির। ওই ব্যক্তি নিজেকে ‘এয়ারপাস ওয়ার্কিং গ্রুপ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচয় দেন এবং কম দামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিমানের টিকিট কিনে বেশি দামে বিক্রি করার কথা বলে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন। প্রলুব্ধ হয়ে সায়েম প্রথমে ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫১ টাকা বিনিয়োগ করেন। পরে বিভিন্ন অজুহাতে তাঁকে আরও অর্থ বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়।

প্রতারণা চক্রের সদস্যরা নিরাপত্তা জামানতের নামে আরও অর্থ নেওয়ার চক্রান্ত করে। সায়েম যখন অর্থ ফেরত চাইলে, চক্রটি জানায়, দুই লাখ টাকার বেশি তুলতে হলে উত্তোলনযোগ্য অর্থের ৫০ শতাংশ নিরাপত্তা জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে। এই অর্থও দুই ঘণ্টার মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে বলে তাঁকে আশ্বস্ত করা হয়। পরে নিরাপত্তা জামানত হিসেবে তাঁর কাছ থেকে আরও ৫ লাখ ৮৪ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে তাঁর কাছ থেকে ৩৪ লাখের বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে বলে পিবিআই জানিয়েছে।

প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে সায়েম টাকা উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেন। তিনি প্রথমে আদালতে সিআর মামলা করেন। পরে পিবিআই তাঁকে থানায় জিআর মামলা করার পরামর্শ দেয়। ২০২৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দারুসসালাম থানায় তিনি ভুক্তভোগী সায়েম মামলা করেন। এর পরদিন থেকে পিবিআই মামলার তদন্ত শুরু করে। তদন্তে তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

"চক্রটি বিভিন্ন সুন্দরী নারীর ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলত। এরপর সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের সঙ্গে প্রথমে হাই-হ্যালোসহ সাধারণ কথাবার্তা বলা হতো। তিন দিনের মধ্যে তাদের কাছ থেকে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর নেওয়ার চেষ্টা করা হতো। পরে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করা হতো। এরপর পরিকল্পিতভাবে ভুক্তভোগীকে অনলাইন ব্যবসা বা বিনিয়োগে অর্থ দেওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করা হতো।"

পিবিআই কর্মকর্তা মো. এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, মামলাটি দেশ ও দেশের বাইরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়। পিবিআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় ঢাকাসহ খুলনার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। খুলনার হরিণটানা থানা এলাকা থেকে মো. মেহেদী হাসান ওরফে সোহাগ (২৭) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরংঘাটা এলাকা থেকে সুমাইয়া খাতুন ওরফে শান্তা (২৪) এবং খালিশপুর এলাকা থেকে আবুল হাসান ওরফে নাঈম (২৪) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম ও ডেবিট কার্ড, টাকা লেনদেনের রসিদের কপি, টেলিগ্রাম গ্রুপ ও ভুয়া সদস্যদের তথ্যসংবলিত স্ক্রিনশট, ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বিবরণী, পাসপোর্টের কপি, কথোপকথনের সিডিআর এবং বিভিন্ন ছবি-ভিডিও উদ্ধার করা হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (পিবিআই ঢাকা মেট্রো কার্যালয়), খুলনা (হরিণটানা, আরংঘাটা, খালিশপুর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী সায়েম উদ্দিন আহমেদ, পিবিআই অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি: মো. মেহেদী হাসান (২৭), সুমাইয়া খাতুন (২৪), আবুল হাসান (২৪)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ লাখ টাকা (হারানো অর্থ), ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫১ টাকা (প্রথম বিনিয়োগ), ৫ লাখ ৮৪ হাজার টাকা (নিরাপত্তা জামানত), ৫০ শতাংশ (জামানতের হার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖