📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এআই জালিয়াতিতে ইতালির শীর্ষ ব্যাংক থেকে ১০ কোটি ডলারের অর্থ হারিয়ে যায়, ৩ কোটি ইউরো অদৃশ্য

এআই জালিয়াতিতে ইতালির শীর্ষ ব্যাংক থেকে ১০ কোটি ডলারের অর্থ হারিয়ে যায়, ৩ কোটি ইউরো অদৃশ্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইতালির শীর্ষ ব্যাংক ফিদিয়ুরাম থেকে প্রতারকেরা ৯ কোটি ৫০ লাখ ইউরো (১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার) হাতিয়ে নিয়েছে। ৩ কোটি ৬০ লাখ ইউরো অদৃশ্য হয়ে যায় এবং ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তরিত হয়

এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারকেরা ইতালির সর্ববৃহৎ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান ইন্তেসা সানপাওলোর প্রাইভেট ব্যাংকিং শাখা ফিদিয়ুরাম থেকে ৯ কোটি ৫০ লাখ ইউরো (১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার) হাতিয়ে নিয়েছে। গত শুক্রবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই জালিয়াতির ঘটনায় কিছু অর্থ উদ্ধার করা হলেও প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ইউরোর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এআই কণ্ঠস্বর নকল করে প্রতারকেরা ফিদিয়ুরামের তৎকালীন চেয়ারম্যান পাওলো মোলেসিনিকে ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলারের অর্থ স্থানান্তর করতে বাধ্য করেন।
  • 📌 চীন ও হংকংয়ের বিদেশি অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর করা হয়, পরে তা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তরিত হয়ে অদৃশ্য হয়।
  • 📌 ৫ কোটি ৩০ লাখ ইউরো উদ্ধার করা হলেও বাকি অর্থের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
  • 📌 মোলেসিনি পদত্যাগ করেন, তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে না।
  • 📌 মিলানের প্রসিকিউটর ইউরোপের বাইরে বসবাসকারী এক বিদেশি নাগরিককে কম্পিউটার জালিয়াতির সন্দেহে তদন্তের আওতায় নেন।

📰 বিস্তারিত

প্রতারকেরা প্রথমে ফিদিয়ুরামের তৎকালীন চেয়ারম্যান পাওলো মোলেসিনিকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠিয়ে একটি বৈদেশিক লেনদেনের জন্য জরুরি সহায়তা চেয়েছিলেন। বার্তাটি ইতালির ইন্তেসা সানপাওলোর সিইও কার্লো মেসিনার থেকে এসেছে বলে মনে হয়েছিল। পরবর্তীতে, প্রতারকেরা একটি নামী আইনি প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ অংশীদারের কণ্ঠস্বর হুবহু নকল করে ফোন কল করে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা আইনজীবীর কণ্ঠস্বর নকল করে প্রতারিত করেন।

মোলেসিনি অনুরোধটি আসল ভেবে অর্থ বিভাগকে নির্দেশ দেন। ফলে, চীন ও হংকংয়ের একাধিক বিদেশি অ্যাকাউন্টে ৯ কোটি ৫০ লাখ ইউরো স্থানান্তর করা হয়। ব্যাংকটি দ্রুতই অনিয়ম শনাক্ত করে এবং বেশ কয়েকটি দেশের কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে। চীন, পর্তুগাল ও ইতালির যৌথ প্রচেষ্টায় ৫ কোটি ৩০ লাখ ইউরো উদ্ধার করা হলেও বাকি অর্থের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

মোলেসিনি গত মার্চে ব্যক্তিগত কারণে চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে না। তবে মিলানের প্রসিকিউটররা কম্পিউটার জালিয়াতির সন্দেহে ইউরোপের বাইরে বসবাসকারী এক বিদেশি নাগরিককে তদন্তের আওতায় নেন।

"প্রতারকেরা এআই ব্যবহার করে আইনজীবীর কণ্ঠস্বর নকল করে প্রতারিত করেন। এই ঘটনায় প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ইউরো অদৃশ্য হয়ে যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইতালি (ফিদিয়ুরাম ব্যাংক), চীন, হংকং, পর্তুগাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পাওলো মোলেসিনি (চেয়ারম্যান), কার্লো মেসিনা (সিইও), প্রতারকরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ কোটি ৫০ লাখ ইউরো (১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার), ৩ কোটি ৬০ লাখ ইউরো (অদৃশ্য), ৫ কোটি ৩০ লাখ ইউরো (উদ্ধার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖