📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহাকাশ নিরাপত্তায় এআই প্রযুক্তি: এমআইটি হ্যাকাথনে স্পেসএক্স চ্যালেঞ্জে বিজয়ী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী দুজন

মহাকাশ নিরাপত্তায় এআই প্রযুক্তি: এমআইটি হ্যাকাথনে স্পেসএক্স চ্যালেঞ্জে বিজয়ী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী দুজন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি হ্যাকাথনে স্পেসএক্সের চ্যালেঞ্জে বিজয়ী হয়েছেন ট্রুম্যান স্টেট ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম ও মো. তানভীর ইবনে আলম। তাদের তৈরি ‘স্কুটারিস’ প্রকল্পে এআই ও মহাকাশ ডেটা ব্যবহার করে স্যাটেলাইট সংঘর্ষের ঝুঁকি শনাক্ত করার প্রযুক্তি রয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) হ্যাকএমআইটি ২০২৬ হ্যাকাথনে স্পেসএক্সের চ্যালেঞ্জে বিজয়ী হন ট্রুম্যান স্টেট ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম ও মো. তানভীর ইবনে আলম। তাদের তৈরি ‘স্কুটারিস’ প্রকল্পটি মহাকাশ নিরাপত্তা বিষয়ক এআইচালিত অরবিটাল সেফটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্যাটেলাইট ও স্পেস ডেব্রিসের সম্ভাব্য সংঘর্ষের ঝুঁকি শনাক্ত করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯-২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হ্যাকএমআইটিতে ৩৬টি দেশের ১ হাজার ১০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন।
  • 📌 স্পেসএক্সের চ্যালেঞ্জে বিজয়ী ‘স্কুটারিস’ প্রকল্পের জন্য বিজয়ী শিক্ষার্থীদের স্পেসএক্সের প্রকৌশলীদের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়েছে।
  • 📌 ‘স্কুটারিস’ প্রকল্পে ৯ হাজার বাস্তব কক্ষপথের তথ্য ব্যবহার করে স্যাটেলাইট সংঘর্ষের ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে।
  • 📌 বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আশরাফুল ইসলাম কম্পিউটার ও ডেটা সায়েন্সে স্নাতক, মো. তানভীর ইবনে আলম ডেটা সায়েন্স ও অ্যাস্ট্রোনমি অধ্যয়নরত।
  • 📌 বিজয়ী শিক্ষার্থীরা নাসা ও স্পেসএক্সের সাথে ভবিষ্যতে ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ পাবেন বলে আশা করছেন।

📰 বিস্তারিত

১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হ্যাকএমআইটি প্রতিযোগিতায় স্পেসএক্সের চ্যালেঞ্জে বিজয়ী হন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম ও মো. তানভীর ইবনে আলম। তাদের তৈরি ‘স্কুটারিস’ প্রকল্পটি একটি এআইচালিত অরবিটাল সেফটি প্ল্যাটফর্ম। এই প্রকল্পে পৃথিবীর চারপাশে থাকা স্যাটেলাইট ও স্পেস ডেব্রিসের সম্ভাব্য সংঘর্ষের ঝুঁকি শনাক্ত করে এবং ব্যবহারকারীদের সহজ ভাষায় তথ্য প্রদান করে।

বিজয়ী শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুটারিস’ প্রকল্পে সেলেসট্র্যাক থেকে সংগ্রহ করা ৯ হাজার বাস্তব কক্ষপথের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবহারকারী সাধারণ ভাষায় প্রশ্ন করলে ইলাস্টিকসার্চ সেই তথ্যের মধ্য থেকে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ঝুঁকিগুলো খুঁজে বের করে। এরপর স্পেসএক্সএআইয়ের গ্রোক পাঁচ ধাপে ঝুঁকিটি বিশ্লেষণ করে, সম্ভাব্য করণীয় জানায় এবং ভিজ্যুয়াল প্রতিবেদন তৈরি করে। ত্রিমাত্রিক পৃথিবীতে স্যাটেলাইটের অবস্থান, কক্ষপথ, সম্ভাব্য সংঘর্ষের দূরত্ব এবং ঝুঁকির মাত্রাও দেখা যায়।’

অপর বিজয়ী শিক্ষার্থী মো. তানভীর ইবনে আলম বলেন, ‘হ্যাকএমআইটিতে বিভিন্ন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের দেওয়া চ্যালেঞ্জের বিপরীতে বিচারকেরা প্রকল্পগুলোর লাইভ ডেমো মূল্যায়ন করেন। আমরা স্পেসএক্সের দেওয়া চ্যালেঞ্জ বেছে নিয়েছিলাম। তাদের নির্দেশনা ছিল কার্সরকে আইডিই হিসেবে, ছবি তৈরির জন্য গ্রোক ইমাজিন, প্রজেক্ট প্ল্যানিংয়ের জন্য গ্রোক বট এবং মহাকাশের বাস্তব ডেটা ব্যবহার করে কিছু তৈরি করা। আমাদের স্কুটারিস স্যাটেলাইট অপারেটরদের সংঘর্ষের সম্ভাব্য হুমকি শনাক্ত করতে ও এ বিষয়ে কী করণীয়—সে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।’

"বিভিন্ন দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এই স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অনেক আনন্দের। স্কুটারিসের মাধ্যমে আমরা দেখাতে চেয়েছি, এআই ও বাস্তব মহাকাশের তথ্য ব্যবহার করে কীভাবে স্যাটেলাইট সংঘর্ষের ঝুঁকি শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করা যায়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমরা গর্বিত।"
"— আশরাফুল ইসলাম, বিজয়ী শিক্ষার্থী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ম্যাসাচুসেটস, এমআইটি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশরাফুল ইসলাম, মো. তানভীর ইবনে আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬টি দেশ, ১ হাজার ১০০ জন শিক্ষার্থী, ৯ হাজার কক্ষপথের তথ্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖