📌 নাটোরের হ্যাকিং চক্রের নেতা ওহিদুল মোল্লাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তার আস্তানায় ৭টি মোবাইল ও ৬৮টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়। পুলিশ সদস্য আলামিনও অভিযুক্ত হন। বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন
নাটোরের হ্যাকিং চক্রের নেতা ওহিদুল মোল্লাকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার আস্তানায় ৭টি মোবাইল ফোন ও ৬৮টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। অভিযোগে পুলিশ সদস্যও জড়িত থাকার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাটোরের হ্যাকিং চক্রের নেতা ওহিদুল মোল্লা (৩২) ও তার সহযোগীরা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার হন।
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে পুলিশের কনস্টেবল আলামিন (২৩)ও রয়েছেন, যিনি রাজশাহী রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের সদস্য।
- 📌 ওহিদুলের আস্তানায় ৭টি মোবাইল ফোন ও ৬৮টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়।
- 📌 বিচারক সাদ্দাম হোসেন আসামিদের সবাইকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
- 📌 ওহিদুলের বাড়িতে ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের মতো আধুনিক সুবিধা ছিল।
📰 বিস্তারিত
নাটোরের লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের পানসিপাড়ায় অবস্থিত ওহিদুল মোল্লার বাড়ি বাইরে থেকে সাধারণ কবুতরের ঘর মতো দেখতে। কিন্তু তার আড়ালে ছিল শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, মানুষের আরামদায়ক থাকার ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তার জন্য ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর ব্যবস্থাও ছিল।
ওহিদুল মোল্লা (৩২) বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের মোহরকয়া গ্রামের মৃত রব্বেল মোল্লার ছেলে। তিনি মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তান ছিলেন। পাঁচ বছর আগেও রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন এবং কিছুদিন ইজিবাইক চালিয়েছেন। অতীতে তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে আটক হওয়ার রেকর্ডও রয়েছে। তবে সময়ের সাথে সাথে তিনি ডিজিটাল প্রতারণা ও সাইবার অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
ওহিদুলের নেতৃত্বে গঠিত হ্যাকিং চক্রের সদস্যরা তাকে ‘গুরু’ হিসেবে মানতেন। লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, ওহিদুলের আস্তানায় হ্যাকিংয়ের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই সুসংগঠিত চক্রের সঙ্গে আরও অনেকেই জড়িত থাকতে পারে।
"এই চক্রের সঙ্গে আরও অনেকেই জড়িত থাকতে পারে। গ্রেফতার তৎপরতা চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাটোরের লালপুর উপজেলা, বিলমাড়িয়া ইউনিয়ন, মোহরকয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওহিদুল মোল্লা (৩২), পুলিশ কনস্টেবল আলামিন (২৩), ওসি শফিকুল ইসলাম, বিচারক সাদ্দাম হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা, ৭টি মোবাইল ফোন, ৬৮টি সিম কার্ড, ৩২ বছর বয়সী ওহিদুল, ২৩ বছর বয়সী আলামিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!