📌 সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের শেষ ২০ মিনিটে ১৮টি গোল খেয়ে দুঃস্মৃতি সৃষ্টি করেছে। ২০০৩ সালের শিরোপা ছাড়া ১৩টি আসরে এই সময়ে ৭ বার জয় হাতছাড়া হয়েছে। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলারদের শৈশবের পুষ্টি সমস্যা এই দুর্বলতার কারণ
সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের শেষ মিনিটের দুঃস্মৃতি আবারও উঠে এসেছে। ২০০৩ সালের শিরোপা ছাড়া গত ১৩টি আসরে এই দলের শেষ ২০ মিনিটে প্রতিপক্ষের গোলের শিকার হওয়ার ঘটনা ৭ বার ঘটেছে। এবারও ৫ নভেম্বর থেকে ঢাকায় শুরু হওয়া সাফে এই পুরাতন আতঙ্কের ছায়া মেলে আছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ১৩টি সাফ আসরে বাংলাদেশ ৪৬টি ম্যাচে মোট ৫২ গোল খেয়েছে, এর মধ্যে ১৮টি গোল শেষ ২০ মিনিটে খেয়েছে
- 📌 ৭০ মিনিটের পর ৭ বার বাংলাদেশ ম্যাচে এগিয়ে থাকলেও পরাজয় স্বীকার করেছে
- 📌 ২০০৩ সালের শিরোপা ছাড়া ১৯৯৫ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ১২টি আসরে এই সময়ে বাংলাদেশের দুর্বলতা স্পষ্ট
- 📌 ফুটবল বিশেষজ্ঞ আলফাজ আহমেদ বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলারদের শৈশবের পুষ্টি সমস্যা এই দুর্বলতার মূল কারণ
- 📌 বাংলাদেশের কোচ বলেছেন, চ্যাম্পিয়ন হতে চাইলে শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করতে হবে
📰 বিস্তারিত
সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের শেষ মিনিটের দুর্বলতা একটি স্থায়ী সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ১৩টি আসরে ৪৬টি ম্যাচে মোট ৫২ গোল খেয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ১৮টি গোলই শেষ ২০ মিনিটে খেয়েছে। এই সময়ে প্রতি তিনটি গোলের মধ্যে একটি বাংলাদেশের হয়ে যায়। বিশেষত ৭০ মিনিটের পর ৭ বার বাংলাদেশ ম্যাচে এগিয়ে থাকলেও পরাজয় স্বীকার করেছে।
২০০৩ সালের শিরোপা ছাড়া ১৯৯৫ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ১২টি আসরে এই সময়ে বাংলাদেশের দুর্বলতা স্পষ্ট। ২০২৩ সালের সেমিফাইনালে কুয়েতের বিপক্ষে ১০৭ মিনিটে খাওয়া একটি গোল ফাইনালের স্বপ্নকে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। একই আসরে গ্রুপ পর্বে লেবাননের বিপক্ষে ৮০ ও ৯৬ মিনিটের দুই গোলে জয় হাতছাড়া হয়েছিল। ২০২১ সালের সাফেও মালদ্বীপের বিপক্ষে ৭৪ মিনিটে গোল খেয়ে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা শেষ হয়ে যায়। একই আসরে নেপালের বিপক্ষে ৮৮ মিনিটে অঞ্জন বিস্তার গোলে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন চুরমার হয়েছিল।
২০১৮ সালে ঘরের মাঠে নেপালের বিপক্ষে ৯০তম মিনিটে গোল খেয়ে হার, ২০১৫ সালের সাফে মালদ্বীপের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৯০ ও ৯৫ মিনিটের দুই গোলে জয় হাতছাড়া হওয়া, এমনকি ২০১৩ সালের সাফে ভারতের বিপক্ষে এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও ৯৫ মিনিটে সুনীল ছেত্রীর গোলের কারণে হার — এই সব ঘটনা বাংলাদেশের ফুটবলকে আঘাত করেছে।
"ফিফা ও এএফসি গবেষণা করেছে। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, শৈশবের পুষ্টিহীনতা ও খাদ্যাভ্যাসের সমস্যার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ফুটবলাররা ম্যাচের ৭০ মিনিট পার হওয়ার পর আগের মতো লড়াই করার সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে না।"
বাংলাদেশের কোচ বলেছেন, চ্যাম্পিয়ন হতে চাইলে শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করতে হবে। তিনি বলেছেন, কিছুক্ষণ ভালো খেলে আবার হাল ছেড়ে দিলে প্রতিপক্ষ সুযোগ নেবে, এটাই স্বাভাবিক।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলফাজ আহমেদ (বিশেষজ্ঞ), বাংলাদেশের কোচ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ গোল (মোট), ১৮ গোল (শেষ ২০ মিনিটে), ৭ বার (জয় হাতছাড়া), ১৩ আসর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!