📌 টাঙ্গাইল সখীপুরে স্বাস্থ্য সহকারী আউয়াল শফীরের (৪৫) রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ একটি যুবককে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সন্দেহভাজন যুবকের সন্ধান দিতে কারও কাছে তথ্য থাকলে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে মাথার ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় মৃতদেহ পাওয়ায় পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছেন।
টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলায় স্বাস্থ্য সহকারী আউয়াল শফীরের (৪৫) রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ একটি যুবককে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সন্দেহভাজন যুবকের সন্ধান দিতে কারও কাছে তথ্য থাকলে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করেছে সখীপুর থানা-পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ সন্দেহভাজন যুবকের ছবি প্রকাশ করে তথ্য ও সন্ধান চায়। ঘটনাস্থল নলুয়া-বাসাইল সড়কের বাছেত খান উচ্চবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১টায় টাঙ্গাইল সখীপুরের নলুয়া-বাসাইল সড়কে স্বাস্থ্য সহকারী আউয়াল শফীরের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বোয়ালী গ্রামের বাসিন্দা এবং সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ছিলেন।
- 📌 পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি মোটরসাইকেল আরোহী যুবককে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাঁর পরিচয় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য জানাতে কারও কাছে থাকলে সখীপুর থানার ওসি মো. মুরাদ হোসেনের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
- 📌 নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটিকে স্বাভাবিক দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছেন। তারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
- 📌 ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সখীপুর উপজেলার সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ঘটনার তদন্তে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন।
- 📌 ৩ সেপ্টেম্বর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং নিহতের স্ত্রী তানিয়া আক্তার সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
📰 বিস্তারিত
২ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১টায় টাঙ্গাইল সখীপুরের নলুয়া-বাসাইল সড়কের বাছেত খান উচ্চবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে স্বাস্থ্য সহকারী আউয়াল শফীরের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় পথচারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর পুলিশকে খবর দেন। নিহতের মাথার বেশ কয়েকটি অংশ সড়কে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল এবং পাশেই তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল পড়ে ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা ছিল, দ্রুতগতির কোনো অজ্ঞাত যানবাহনের চাপায় ঘটনাটি ঘটতে পারে।
নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছেন। নিহতের চাচাতো ভাই জিয়া হাবিব মাওলানা ফরিদ উদ্দিনসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, আউয়াল শফীরের গলা ও মাথার ক্ষতবিক্ষত অবস্থা দেখে ঘটনাটি স্বাভাবিক সড়ক দুর্ঘটনা বলে মনে হয়নি। তারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সখীপুর উপজেলার সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ঘটনার তদন্তে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন। তিনি নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গেও আলোচনা করেন। ঘটনার পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। একই দিন নিহতের স্ত্রী তানিয়া আক্তার সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি মোটরসাইকেল আরোহী যুবককে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করে। সন্দেহভাজন যুবকের ছবি প্রকাশ করে পুলিশ তথ্য ও সন্ধান চায়। সন্দেহভাজন যুবকের পরিচয় ও অবস্থান সম্পর্কে কারও কাছে তথ্য থাকলে সখীপুর থানার ওসি মো. মুরাদ হোসেনের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং তাঁকে পুরস্কৃত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
"এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যেসব তথ্য এসেছে, তাতে মনে হচ্ছে সন্দেহভাজন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচন হতে পারে।"
— ওসি মো. মুরাদ হোসেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাঙ্গাইল জেলা, সখীপুর উপজেলা, নলুয়া-বাসাইল সড়ক, বাছেত খান উচ্চবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য সহকারী আউয়াল শফীর (৪৫), ওসি মো. মুরাদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, জিয়া হাবিব মাওলানা ফরিদ উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ (আউয়াল শফীরের বয়স), ২ (সেপ্টেম্বর), ১ (টার), ৩ (সেপ্টেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!