📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মেলান্দহে মেয়াদোত্তীর্ণ ত্রাণসামগ্রী বিতরণে ক্ষোভ, দরিদ্রদের মাঝে বিতরণের পিছনে প্রশ্ন

মেলান্দহে মেয়াদোত্তীর্ণ ত্রাণসামগ্রী বিতরণে ক্ষোভ, দরিদ্রদের মাঝে বিতরণের পিছনে প্রশ্ন

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মেয়াদোত্তীর্ণ ত্রাণসামগ্রী বিতরণের পর দরিদ্রদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। লবণ, তেল, ডাল ও চিনির মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে থাকা এই সামগ্রী বিতরণের পিছনে প্রশ্ন উঠেছে

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের ত্রাণসামগ্রী বিতরণের পর দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভের তরঙ্গ উঠেছে। অর্থবছর ২০২৪-২৫-এর মেয়াদোত্তীর্ণ এই ত্রাণসামগ্রী বিতরণের পিছনে প্রশ্ন উঠেছে। উপজেলায় বিতরণ করা ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে লবণ, তেল, ডাল, চিনি, হলুদ ও মরিচের গুঁড়া ছিল। কিন্তু বেশিরভাগ পণ্যের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মেলান্দহ উপজেলায় ১২৫ জন দরিদ্রের মধ্যে বিতরণ করা ত্রাণসামগ্রীর মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ছিল — লবণ, তেল, ডাল, চিনি ও মসলা
  • 📌 ২ সেপ্টেম্বর ৪০ জন ও ৬ সেপ্টেম্বর ৫০ জনসহ মোট ১২৫ জনের মধ্যে বিতরণ করা ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে লবণ ও তেলের মেয়াদ চলতি সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হবে
  • 📌 উপকারভোগীদের অভিযোগ, ত্রাণ পণ্যের মধ্যে কিছু প্যাকেট ছেঁড়া ও মসলা জমাট বাঁধা অবস্থায় দেওয়া হয়েছিল
  • 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, জুলাই মাসে ত্রাণের বিষয়ে চিঠি পেয়েছিলেন, কিন্তু ত্রাণসামগ্রী আসার পর তালিকা তৈরি করে বিতরণ করা হয়েছিল
  • 📌 জামালপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রণালয় থেকে পেয়েছিলেন ত্রাণ, কিন্তু উপজেলা পর্যায়ে কীভাবে বিতরণ করা হয়েছে তা জানেন না

📰 বিস্তারিত

মেলান্দহ উপজেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের ত্রাণসামগ্রী বিতরণের পর দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভের তরঙ্গ উঠেছে। বিতরণ করা ত্রাণসামগ্রীর ব্যাগে লেখা ছিল ‘অর্থবছর ২০২৪-২৫’। কিন্তু বিতরণের সময় বেশিরভাগ পণ্যের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে ছিল। উপকারভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের পুরোনো এসব পণ্যের কিছু প্যাকেট ছেঁড়া ও মসলা জমাট বাঁধা অবস্থায় দেওয়া হয়েছিল।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ সেপ্টেম্বর ৪০ জন এবং ৬ সেপ্টেম্বর ৫০ জনসহ মোট ১২৫ জন অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে উপজেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি ব্যাগে ছিল ১০ কেজি চাল, এক কেজি তেল, লবণ, চিনি, ডাল, ২০০ গ্রাম হলুদের গুঁড়ার প্যাকেট এবং ১০০ গ্রাম করে ধনিয়া ও মরিচের গুঁড়ার প্যাকেট।

ত্রাণ পাওয়ার আগেই লবণের মেয়াদ শেষ গত ২ সেপ্টেম্বর ত্রাণ পাওয়া মেলান্দহ পৌরসভার হাসনা বেগমের ব্যাগে থাকা লবণের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ৩১ আগস্ট। অর্থাৎ ত্রাণ হাতে পাওয়ার দুই দিন আগেই লবণের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ওই ব্যাগে থাকা তেলের মেয়াদ শেষ হবে ১৬ সেপ্টেম্বর। অন্য পণ্যগুলোরও চলতি মাসেই মেয়াদ শেষ হবে। একই দিন ত্রাণ পাওয়া পৌরসভার লিটন ও বারেকের ব্যাগেও একই ধরনের পণ্য রয়েছে বলে তাঁরা জানান।

গত ৬ সেপ্টেম্বর ত্রাণ পাওয়ার তালিকায় রয়েছেন মলিকাডাংগা এলাকার রত্না বেগম। তার ব্যাগে থাকা লবণের মেয়াদ শেষ ৮ সেপ্টেম্বর। অর্থাৎ ত্রাণ পাওয়ার দুই দিন পরই লবণের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তেলের মেয়াদ শেষ হবে ১১ সেপ্টেম্বর। একই এলাকার জোসনা বেগমের ব্যাগে থাকা লবণের মেয়াদ শেষ হবে ৯ সেপ্টেম্বর। আর হাজরাবাড়ি এলাকার হুরমুজের ব্যাগে থাকা লবণের মেয়াদ ৩১ আগস্টই শেষ হয়েছে। অর্থাৎ তিনি ত্রাণ সামগ্রীর মেয়াদোত্তীর্ণ লবণ পেয়েছেন। তার ব্যাগে থাকা তেলের মেয়াদ শেষ হবে ২০ সেপ্টেম্বর।

"লবণ জমাট বাঁধা ছিল। চিনি-ডালের প্যাকেটও হালকা ছেঁড়া ছিল। মেয়াদ না থাকলে তো খাওয়া যাবে না। এত আগের জিনিস এতদিন পরে দিলে মেয়াদ তো শেষই হবে।"

— রত্না বেগম

"আমরা মূর্খ মানুষ, মেয়াদ তো দেখতে পারি না। যেভাবে দিয়েছে, সেভাবেই বাড়িতে এনে রেখেছি। লবণের মেয়াদ যে শেষ হয়ে গেছে, তা জানতাম না। কিছুদিনের মধ্যে অন্য পণ্যের মেয়াদও শেষ হয়ে গেলে সেগুলো খেয়ে শেষ করা যাবে না।"

— হাসনা বেগম

"অনেক দিন আগের মসলা ও চিনি দলা দলা হয়ে গেছে। যেভাবে দিয়েছে, সেভাবেই বাড়িতে নিয়ে এসেছি। এসব খেয়ে যদি কোন রোগ বালাই হয় তাই ভয়ে আছি।"

— জোসনা বেগম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মেলান্দহ উপজেলা, জামালপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রত্না বেগম, হাসনা বেগম, জোসনা বেগম, জিন্নাতুল আরা (ইউএনও), মো: আব্দুল্লাহেল কাফি (জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৫ জন (ত্রাণ পেয়েছেন), ১০ কেজি (চাল), ১ কেজি (তেল), ২০০ গ্রাম (হলুদ গুঁড়া), ১০০ গ্রাম (ধনিয়া ও মরিচের গুঁড়া), ৩১ আগস্ট (লবণের মেয়াদ শেষ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖