📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দীর্ঘ দেড় বছরেও আলোর মুখ দেখেনি সিলেটের ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকার মুক্তিযোদ্ধা চত্বর

দীর্ঘ দেড় বছরেও আলোর মুখ দেখেনি সিলেটের ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকার মুক্তিযোদ্ধা চত্বর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কদমতলী এলাকায় নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা চত্বরটির বৈদ্যুতিক আলোকসজ্জা সম্পন্ন না হওয়ায় দেড় বছরেও উদ্বোধন করা যায়নি। ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটির আলোকসজ্জায় ব্যয় হবে আরও ৭০ থেকে ৭৫ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন

সিলেট সিটি করপোরেশনের দক্ষিণ সুরমার কদমতলী এলাকায় নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা চত্বরটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও বৈদ্যুতিক আলোকসজ্জা সম্পন্ন না হওয়ায় দেড় বছরেও উদ্বোধন করা যায়নি। প্রকৌশল শাখার তথ্য অনুযায়ী, স্থাপনাটির আলোকসজ্জায় ব্যয় হবে ৭০ থেকে ৭৫ লাখ টাকা। তবে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ তা বরাদ্দ দিতে অনাগ্রহী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নির্মাণ ব্যয়: ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা
  • 📌 আলোকসজ্জা ব্যয়: ৭০ থেকে ৭৫ লাখ টাকা
  • 📌 নির্মাণ শেষ: জুন ২০২৫ সালে
  • 📌 উদ্বোধন সম্ভাব্য সময়: সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 📌 স্থাপত্য পরামর্শক: শাকুর মজিদ

📰 বিস্তারিত

সিলেট নগরের দক্ষিণ সুরমার কদমতলী এলাকায় নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা চত্বরটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও বৈদ্যুতিক আলোকসজ্জা সম্পন্ন না হওয়ায় দেড় বছরেও উদ্বোধন করা যায়নি। প্রকৌশল শাখার তথ্য অনুযায়ী, স্থাপনাটির আলোকসজ্জায় ব্যয় হবে ৭০ থেকে ৭৫ লাখ টাকা। তবে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ তা বরাদ্দ দিতে অনাগ্রহী বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

স্থাপনাটির নকশা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় অংশে রয়েছে ৭১ ফুট ব্যাসের বৃত্তের ওপর ৭১ ফুট উচ্চতার চার বাহুবিশিষ্ট স্তম্ভ। স্তম্ভে রয়েছে ৫২টি রিং, যেগুলো লাল রঙে রঞ্জিত হওয়ার কথা। এছাড়া চার দিক থেকে কেন্দ্রের দিকে অগ্রসর চারটি রাইফেল সিলেট বিভাগের চার জেলার মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক হিসেবে নির্মিত হয়েছে।

স্থাপত্য পরামর্শক শাকুর মজিদ বলেন, ‘ইলেকট্রিক্যাল ও লাইটিং—এ দুই খাতে ৪০ থেকে ৪৫ লাখ টাকা খরচ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ কেন তা ৭০ থেকে ৭৫ লাখ বলছে, তা বুঝতে পারছি না।’ সাধারণ বাতি স্থাপন করলে স্থাপত্যের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

"স্থাপত্যের পুরো সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়ে পড়বে বলে সাধারণ বাতি স্থাপন করলে।" — শাকুর মজিদ, প্রধান স্থপতি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দক্ষিণ সুরমা, সিলেট
  • 👥 প্রধান স্থপতি: শাকুর মজিদ
  • 🔢 নির্মাণ ব্যয়: ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা
  • 🔢 আলোকসজ্জা ব্যয়: ৭০ থেকে ৭৫ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖