📌 বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামে ধানখেতে বাঘের পায়ের ছাপ দেখা গেছে। বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা মাইকিং করে সাবধানতা জানাচ্ছে। বাঘের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়নি, তবে এলাকাবাসীরা আতঙ্কিত।
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন-সংলগ্ন সোনাতলা গ্রামে বাঘের উপস্থিতির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ধানখেতে বাঘের পায়ের তাজা ছাপ দেখা গেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে ভয় সৃষ্টি করেছে। বন বিভাগ ও স্বেচ্ছাসেবীরা মাইকিং করে সাবধানতা জানিয়ে এলাকাবাসীদের সতর্ক করে দিচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের ধানখেতে বাঘের পায়ের ছাপ দেখা গেছে
- 📌 বন বিভাগ ও স্বেচ্ছাসেবীরা মাইকিং করে এলাকাবাসীদের সাবধানতা জানাচ্ছেন
- 📌 বাঘের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়নি, তবে এলাকাবাসীরা আতঙ্কিত
- 📌 সিপিজি সদস্য আবদুর লতিফ বলেছেন, রাতে একা বের না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে
- 📌 সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেছেন, বাঘটি সম্ভবত শনিবার রাতে এলেও চলে যেতে পারে
📰 বিস্তারিত
সুন্দরবন লাগোয়া সোনাতলা গ্রামে বন ও বসতির মাঝে মাত্র একটি নদীর দূরত্ব রয়েছে। এই গ্রামে এক সপ্তাহ ধরে বাঘের উপস্থিতির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার সকালে জানা গেল, ধানখেতে বাঘের পায়ের ছাপ দেখা গেছে। বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা মাইকিং করে এই তথ্য জানিয়ে সবাইকে সচেতন করে বলেছেন, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে এলাকাবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
সোনাতলা গ্রামের সিপিজি সদস্য আবদুর লতিফ জানান, ‘আমরা রোববার রাতেই মিটিং করেছি। সবাইকে বলছি, যার যার গবাদিপশু নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে। রাতে একা বের না হতে বলেছি। কয়েকটি জায়গায় ধানখেতে বাঘের পায়ের ছাপ দেখা গেছে। বাঘ এখনো গ্রামের মধ্যে আছে কি না, ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। এখানে বাঘ খুব ভয়ংকর হয়। দূর থেকে দেখা যায় না। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে বেশি।’
বন বিভাগের কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আজও সেখানে গিয়ে ড্রোন উড়িয়ে দেখার চেষ্টা করেছি। পুরো মাঠটাই দেখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার রাতে বাঘটি এসেছে, হয়তোবা চলে যেতে পারে। তবে চলে গেছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আগেরবার যেমন বলা গিয়েছিল, বাঘটি বনে ফিরে গেছে। ধানখেতের মধ্যে ছাপ পুরোপুরি পরিষ্কার বোঝা যায় না। তবে সার্বিকভাবে মনে হচ্ছে, চলেই হয়তো গেছে। তারপরও আগামী দুই-তিন দিন ওই এলাকায় বন বিভাগ, সিপিজি, ভিটিআরটির টহল দল থাকবে।’
"আমরা রোববার রাতেই মিটিং করেছি। সবাইকে বলছি, যার যার গবাদিপশু নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে। রাতে একা বের না হতে বলেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুর লতিফ (সিপিজি সদস্য), শরিফুল ইসলাম (বন বিভাগের কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২-৩ দিন (টহল দলের সময়কাল), ১ সপ্তাহ (আতঙ্কের সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!