📌 সিলেটের জাবালে নূর হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হওয়া ১৫ বছর বয়সী দুই ছাত্রের অভিভাবক ভিডিও কল মারধর হুমকিতে টাকা দাবির ঘটনা জানিয়েছেন। অভিভাবক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শাহপরান থানায় জিডি করেছেন
সিলেটের জাবালে নূর হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হওয়া ১৫ বছর বয়সী দুই ছাত্রের অভিভাবকদের কাছে ভিডিও কল মারধর হুমকিতে টাকা দাবির ঘটনা ঘটেছে। অভিভাবক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শাহপরান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। নিখোঁজ ছাত্রদের মধ্যে একজনকে ইমো অ্যাপে মারধরের ভিডিও দেখিয়ে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেটের জাবালে নূর হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ ১৫ বছর বয়সী তামিম আহমেদ ও সাঈদ মাসুদ চৌধুরী (নাঈম) — তিন দিন ধরে সন্ধানহীন
- 📌 সাঈদের বাবা বেবুল আহমদের মুঠোফোনে নম্বরহীন ইমো অ্যাকাউন্ট থেকে মারধরের ভিডিও দেখিয়ে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে
- 📌 ভিডিওতে ছেলেকে হাত-পা বেঁধে রাখা অবস্থায় মারধর করা দেখানো হয়েছে; টাকা না পাঠালে হত্যার হুমকি
- 📌 অভিভাবক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শাহপরান থানায় জিডি করেছেন; পুলিশ সারা দেশে ছাত্রদের ছবি পাঠিয়ে খোঁজ করছে
- 📌 মাদ্রাসা পরিচালক তোফায়েল আহমেদ জানান, তামিম আগেও দুবার একা বাসায় চলে গিয়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
সিলেটের খাদিম পাড়া এলাকার জাবালে নূর হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায হিফজ বিভাগের ছাত্র তামিম আহমেদ (১৫) ও সাঈদ মাসুদ চৌধুরী (১৫) গত মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের ফাঁকে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তামিম দক্ষিণসুরমা বড়াইকান্দি এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে এবং সাঈদ জকিগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের মউগ্রামের বেবুল আহমদের ছেলে।
সাঈদের বাবা বেবুল আহমদ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তার মুঠোফোনের ইমো অ্যাপে একটি নম্বরহীন অ্যাকাউন্ট থেকে ভয়েস কল করা হয়। পরে ভিডিও কল মারধরের দৃশ্য দেখানো হয়। ভিডিওতে ছেলেকে হাত-পা বেঁধে রাখা অবস্থায় মারধর করা দেখানো হয়েছে। তারপর একটি বিকাশ নম্বর দিয়ে এক লাখ টাকা পাঠাতে বলা হয়। টাকা না পাঠালে ছেলেকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
মাদ্রাসা পরিচালক তোফায়েল আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত মঙ্গলবার ফজরের নামাজের সময় ওই ছাত্র দুজন মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায়। এর আগে তামিম আরও দুবার একা বাসায় চলে গিয়েছিল। এবার সাঈদ ও তামিম দুজনই একসঙ্গে বের হয়ে যায় বলে জানাই। বিষয়টি তাদের মা-বাবাকে জানিয়েছি।’
শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ জানান, ‘ওই ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকেরা জিডি করেছেন। আমরা সারা দেশে দুই ছাত্রের ছবি পাঠিয়ে দিয়েছি। ইমোতে যে নম্বর দেওয়া হয়েছে, তা এক বছর ধরে বন্ধ। তবে আমরা খোঁজ করছি।’
"মাদ্রাসা থেকে বাসায় গেছে কি না, এ বিষয়ে জানতে মাদ্রাসার হুজুর কল দিয়েছিলেন। আমরা জানাই যে সে আসেনি। সিলেটের বিভিন্ন জায়গায়ও খোঁজাখুজি করেছি। কিন্তু কোথাও পাওয়া যায়নি। পরে বৃহস্পতিবার সকালে আমার ইমোতে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ভয়েস পাঠিয়ে টাকা দাবি করা হয়।" — বেবুল আহমদ, সাঈদের বাবা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেটের শাহপরান থানা, জাবালে নূর হাফিজিয়া মাদ্রাসা (খাদিম পাড়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তামিম আহমেদ (১৫), সাঈদ মাসুদ চৌধুরী (১৫), বেবুল আহমদ (সাঈদের বাবা), আবদুস সাত্তার (তামিমের বাবা), তোফায়েল আহমেদ (মাদ্রাসা পরিচালক), ফেরদৌস আহমেদ (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (ছাত্রদের বয়স), ৩ দিন (নিখোঁজ), ১০টা (রাত), ১ লাখ টাকা (টাকা দাবি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!