📌 রাজশাহীর পবা উপজেলার ৯ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের কাজে ১৪ কোটি টাকা ব্যয় হলেও আরসিসি ঢালাইয়ের ফাটল দেখা দিল। স্থানীয়রা কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়া থেকে তানোর পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের কাজে ১৪ কোটি টাকা ব্যয় হলেও প্রকল্পের কিছু অংশে আরসিসি ঢালাইয়ের ফাটল দেখা দিয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার আগেই এই সমস্যা দেখা দিলে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন এবং কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়া-তানোর সড়ক সংস্কারের কাজে ১৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে
- 📌 ৯ কিলোমিটার সড়কের বাগসারা-নওদাপাড়া এলাকায় আরসিসি ঢালাইয়ের ফাটল দেখা দিয়েছে
- 📌 কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন, সড়কের ধারণক্ষমতা সঠিকভাবে হিসাব করা হয়নি
- 📌 ৭ ইঞ্চি মোটা স্ল্যাব ব্যবহার এবং রোলার না চালানোর কারণে সড়ক ফাটল ধরে নিয়েছে
- 📌 এলজিইডির পবা উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী বলেছেন, প্রকল্পের নকশা সংশোধনের আবেদন করা হয়েছে
- 📌 ঠিকাদার ইউনুস আলী ফোনে কথা বলবেন না বলে জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও গ্রামীণ সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় পবা উপজেলার বায়া থেকে তানোরের কাশিমবাজার হয়ে তানোর সড়ক পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার সড়ক পুনর্বাসন করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। কাজ শুরু হয়েছিল চলতি বছরের ৯ মে এবং আগামী ১২ মার্চের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল। তবে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রকল্পের আওতায় সড়কের কিছু অংশে আরসিসি ঢালাই দেওয়া হয়েছিল। বাগসারা-নওদাপাড়া এলাকায় প্রায় আধা কিলোমিটার ঢালাই দেওয়া হলেও, ফাটল দেখা দিয়েছে। ফাটল ধরা অংশে কাজ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, সড়কের ধারণক্ষমতা সঠিকভাবে হিসাব করা হয়নি। মাত্র ৭ ইঞ্চি মোটা স্ল্যাব ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া, কাজের সময় রোলার দিয়ে সড়কের নিচের মাটি ঠিকমতো শক্ত করা হয়নি। নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
নওহাটা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর নাজমুল হুদা মোল্লা বলেছেন, গর্ত খননের পর মাটি ভালোভাবে কমপ্যাক্ট করা হয়নি। রোলার না চালানোর কারণে এক পাশে সড়ক দেবে গেছে, অন্য পাশে ফাটল ধরেছে। তাঁর মতে, কাজের মান মাত্র ৫০ শতাংশও হয়নি।
এলজিইডির পবা উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী বলেছেন, সড়কের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় প্রকল্পের নকশা সংশোধনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। মাটির ভার বহনের ক্ষমতা বিবেচনায় সড়কের কাঠামো আরও মজবুত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা বিষয়টি জানেন এবং সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখে গেছেন।
"গর্ত খননের পর মাটি ভালোভাবে কমপ্যাক্ট করা হয়নি। রোলার না চালানোর কারণে এক পাশে সড়ক দেবে গেছে, অন্য পাশে ফাটল ধরেছে। কাজের মান মাত্র ৫০ শতাংশও হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহীর পবা উপজেলা, বায়া থেকে তানোর সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমুল হুদা মোল্লা, মোহাম্মদ আলী, ইউনুস আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ কোটি টাকা, ৯ কিলোমিটার, ৭ ইঞ্চি, ৫০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!