📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শেরপুরের নন্নী ইউনিয়ন: গরুর গোবর থেকে বায়োগ্যাসে রান্না, পরিবারগুলো সাশ্রয় করছে ২৫ হাজার টাকা

শেরপুরের নন্নী ইউনিয়ন: গরুর গোবর থেকে বায়োগ্যাসে রান্না, পরিবারগুলো সাশ্রয় করছে ২৫ হাজার টাকা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী ইউনিয়নে গরুর গোবর থেকে উৎপাদিত বায়োগ্যাসে রান্না করছে প্রায় ৫০টি পরিবার। এই পরিবারগুলো প্রতি মাসে ২ থেকে ৪ হাজার টাকা সাশ্রয় করছেন এবং গোবর থেকে জৈব সারও তৈরি করছেন। সরকারের প্রকল্পের আওতায় ইউনিয়নটিকে ‘বায়োগ্যাস পল্লী’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী ইউনিয়ন এখন ‘বায়োগ্যাস পল্লী’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। এখানে গরুর গোবর থেকে উৎপাদিত বায়োগ্যাসে রান্না করছেন প্রায় ৫০টি পরিবারের সদস্যরা। এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে পরিবারগুলো মাসে ২ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করছেন এবং গোবর থেকে জৈব সারও তৈরি করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী ইউনিয়নে গরুর গোবর থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন করে ৫০টি পরিবার রান্না করছে
  • 📌 এক পরিবারে ৩ থেকে ৬টি গরু থাকলে মাসে ২ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা সাশ্রয় হচ্ছে
  • 📌 প্রতি ২২ কেজি গোবর থেকে ১ কেজি বায়োগ্যাস উৎপাদন হয়, যা একটি পরিবারের দৈনন্দিন রান্নার চাহিদা পূরণ করে
  • 📌 সরকারের ‘ইমপ্যাক্ট প্রকল্প ফেজ-৩’-এর আওতায় শেরপুরে ৮৫টি বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, এর মধ্যে নন্নী ইউনিয়নে ৩০টি প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে
  • 📌 নন্নী ইউনিয়নকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বায়োগ্যাস পল্লী’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে

📰 বিস্তারিত

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী ইউনিয়নে বায়োগ্যাসের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এখানে গরুর গোবর থেকে উৎপাদিত বায়োগ্যাসে রান্না করছেন প্রায় ৫০টি পরিবারের সদস্যরা। ইউনিয়নের ডেকরাপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদ (৪৫) ছয়টি গরুর গোবর থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন করছেন। এই গ্যাসে তাঁর দুটি পরিবারের রান্নার চাহিদা পূরণ হচ্ছে। ছয় মাস ধরে তাঁরা এই গ্যাস ব্যবহার করছেন। এতে দুই পরিবারের মাসে প্রায় ৪ হাজার টাকা সাশ্রয় হচ্ছে।

একই ইউনিয়নের বায়োগ্যাস ব্যবহারকারী মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, গরুর গোবর থেকে উৎপাদিত গ্যাস ব্যবহার করতে বাড়তি কোনো ঝামেলা নেই। বরং রান্নার জ্বালানির খরচ কমছে। গ্যাস উৎপাদনের পর অবশিষ্ট গোবর জমিতে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যাচ্ছে। এতে একসঙ্গে জ্বালানি ও কৃষি, দুই ক্ষেত্রেই উপকার পাওয়া যাচ্ছে।

তিনটি গরু থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন করছেন একই গ্রামের মাদরাসা শিক্ষক খোকন মিয়া। তিনি বলেছেন, স্বামী-স্ত্রী দুজনই চাকরি করেন। আগে খড়ির চুলায় রান্না করতে অনেক সময় ও শ্রম ব্যয় হতো। এখন বায়োগ্যাস ব্যবহারে সেই ভোগান্তি নেই। আগে প্রতি মাসে সিলিন্ডার গ্যাস কিনতে কমপক্ষে ২ হাজার টাকা খরচ হতো। এখন সেই টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। বছরে প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ কমছে।

শেরপুর জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বায়োগ্যাস প্লান্টের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন, একটি বাড়িতে তিনটি গরু থাকলে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কেজি গোবর পাওয়া যায়। প্রতি ২২ কেজি গোবর থেকে প্রায় এক কেজি গ্যাস উৎপাদন সম্ভব। এই পরিমাণ গ্যাস দিয়ে একটি পরিবারের দৈনন্দিন রান্নার চাহিদা পূরণ করা যায়।

"এই উদ্যোগ নন্নী ইউনিয়নের পরিবারগুলোর ব্যয় কমানোর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শেরপুর জেলা, নালিতাবাড়ী উপজেলা, নন্নী ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল কালাম আজাদ, মো. নজরুল ইসলাম, খোকন মিয়া, মো. আব্দুল্লাহ আল মনসুর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০টি পরিবার, ৬টি গরু, ৪ হাজার টাকা, ২৫ হাজার টাকা, ৩০টি বায়োগ্যাস প্লান্ট, ৮৫টি বায়োগ্যাস প্লান্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖