📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শেরপুরের শ্রীবরদীতে বসতঘরের বারান্দায় দাফন: জমি ও কবরস্থান না থাকায় বৃদ্ধের শেষকৃত্য

শেরপুরের শ্রীবরদীতে বসতঘরের বারান্দায় দাফন: জমি ও কবরস্থান না থাকায় বৃদ্ধের শেষকৃত্য

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার শালমারা গ্রামে জমি ও সামাজিক কবরস্থান না থাকায় এক ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধকে বসতঘরের বারান্দায় দাফন করা হয়। পরিবার ও স্থানীয়রা আজ পাশের গণকবরস্থানে তাকে দাফনের ব্যবস্থা করবে

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার শালমারা গ্রামে জমি ও সামাজিক কবরস্থান না থাকায় এক বৃদ্ধকে বসতঘরের বারান্দায় দাফন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার মৃত্যুবরণকারী আবদুল করিম (৬০) এর শেষকৃত্য এভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলেও আজ মঙ্গলবার তাকে পাশের গণকবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬০ বছর বয়সী আবদুল করিম শালমারা গ্রামের কৃষক পরিবারের সদস্য ছিলেন, যিনি নিজস্ব জমি বা সামাজিক কবরস্থান না থাকায় বসতঘরের বারান্দায় দাফন হন।
  • 📌 পরিবারের মেয়ে রিক্তা পারভীন জানান, ‘আমাদের বাড়িভিটা ছাড়া আর কোনো জমিজমা নেই। পাড়ায় কোনো গোরস্তানও নেই, তাই বাবাকে ঘরের মাটি দিতে হয়েছে।’
  • 📌 গ্রামে গণকবরস্থান করার দাবি দীর্ঘদিন থেকে চলে আসছে, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি। ফলে অসহায় পরিবারদের স্বজনদের দাফন করতে হয় বাড়ির আঙিনায় বা বারান্দায়।
  • 📌 তাতিহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রউফ আজ মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পাশের গণকবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
  • 📌 শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদ জানান, আজ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পাশের ওয়ার্ডের সামাজিক কবরস্থানে তাকে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
  • 📌 জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বিষয়টিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ইউএনওকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

শালমারা গ্রামের বাসিন্দা আবদুল করিমের মৃত্যু গতকাল সোমবার ঘটে। অসুস্থতার কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরিবারের বসতভিটা ছাড়া আর কোনো জমিজমা না থাকায়, স্থানীয়রা তাকে বাড়ির বারান্দায় দাফন করতে বাধ্য হন। স্থানীয়রা জানান, গ্রামে পারিবারিক কবরস্থান থাকলেও সবার জন্য উন্মুক্ত কোনো সামাজিক কবরস্থান নেই। ফলে যেসব পরিবারের নিজস্ব কবরস্থান নেই, তাঁদের স্বজনদের দাফন নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। কেউ বাড়ির আঙিনায়, কেউ বসতবাড়ির সামনে বা পাশে মরদেহ দাফন করেন।

আবদুল করিমের মেয়ে রিক্তা পারভীন বলেন, ‘আমাদের বাড়িভিটা ছাড়া আর কোনো জমিজমা নেই। আমাদের পাড়ায় কোনো গোরস্তানও নেই। তাই আর কোনো উপায় না থাকায় ঘরের মাটি দিতে হয়েছে বাবাকে। এই পাড়ার অসহায় ও গরিব মানুষের লাইগা অন্তত একটা গোরস্তান থাকুন দরকার।’

গ্রামটিতে একটি গণকবরস্থান করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের কাছে দাবি জানানো হচ্ছে বলে জানান শালমারা গ্রামের মাসুদ মিয়া। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেননি। এ কারণে আবদুল করিমকে তার ঘরেই দাফন করতে হয়েছে। বিষয়টি খুব দুঃখজনক ও লজ্জার।

"আমগর বাড়িভিটা ছাড়া আর তো কোনো জমিজমা নাই। আমগর পাড়ায় কোনো গোরস্তানও নাই। তাই আর কোনো উপায় না থাকায় ঘরেই বাবারে মাটি দিতে হইছে। এই পাড়ার অসহায় ও গরিব মানুষের লাইগা অন্তত একটা গোরস্তান থাকুন দরকার।"

আজ মঙ্গলবার তাতিহাটী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুর রউফ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পাশের গণকবরস্থানে আবদুল করিমকে দাফনের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন। শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদ বলেন, আজ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পাশের ওয়ার্ডের সামাজিক কবরস্থানে তাকে দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বিষয়টিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে বলেন, ‘খবরটি জানার পরই ইউএনওকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। পাশের কবরস্থানে তাকে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শালমারা গ্রাম, শ্রীবরদী উপজেলা, শেরপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল করিম (৬০), রিক্তা পারভীন, মাসুদ মিয়া, আবদুর রউফ, মনীষা আহমেদ, ফরিদা ইয়াসমিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বছর বয়স

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖