📌 রংপুরের মিঠাপুকুরে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা মরদেহ রেখে গরু-ছাগল নিয়ে পালিয়ে গেছেন। নিহতের নাম শিরিনা আক্তার (১৯)। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে
রংপুরের মিঠাপুকুরে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক গৃহবধূর ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহ রেখে বাড়ির গরু-ছাগল নিয়ে অন্যত্র পালিয়ে গেছেন। নিহতের নাম শিরিনা আক্তার (১৯), যিনি রাণীপুকুর ইউনিয়নের দৌলত রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের মিঠাপুকুর থানায় শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
- 📌 নিহতের নাম শিরিনা আক্তার (১৯), যিনি রাণীপুকুর ইউনিয়নের দৌলত রসুলপুর গ্রামের রাফিউল ইসলামের স্ত্রী।
- 📌 শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা মরদেহ রেখে বাড়ির গরু-ছাগল নিয়ে পালিয়ে গেছেন।
- 📌 মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন না পাওয়ায় ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। গলায় দাগ থাকায় মৃত্যুর কারণ জানতে হবে প্রতিবেদন আসার পর।
- 📌 মিঠাপুকুর থানার ওসি রুহুল আমিন জানান, অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রংপুরের মিঠাপুকুরে শুক্রবার দুপুরে প্রতিবেশীরা একটি ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। এলাকাবাসীর তথ্য অনুযায়ী, শিরিনা আক্তার (১৯) প্রায় এক বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেছিলেন রাফিউল ইসলামের সাথে। মরদেহের অবস্থা দেখে এলাকাবাসীরা সন্দেহ প্রকাশ করে যে, শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহ রেখে গরু-ছাগল নিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন।
মিঠাপুকুর থানার ওসি রুহুল আমিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহে কোনো রক্তের দাগ বা আঘাতের চিহ্ন ছিল না, তবে গলায় দাগ ছিল। তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলে জানান তিনি।
"মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না, তবে গলায় দাগ ছিল। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিঠাপুকুর, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিরিনা আক্তার (১৯), রুহুল আমিন (মিঠাপুকুর থানার ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ নভেম্বর (ঘটনার তারিখ), ১৯ (নিহতের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!