📌 নীলফামারী সদর উপজেলার ঢেলাপীর হাটে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের অভিযানে ২২টি দেশি পাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত করা হয়। পাখির মধ্যে ছিল টিয়া, পাতি সরালি, টিলা ঘুঘু ও কালিম পাখি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মুচলেকা নেওয়া হয় এবং বন্য প্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়
নীলফামারী সদর উপজেলার ঢেলাপীর হাটে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের অভিযানে ২২টি দেশি পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় পরিচালিত এই অভিযানে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি উদ্ধার করা হয় এবং তাদের খাঁচামুক্ত করে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি চারটি লোহার খাঁচাও জব্দ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২টি পাখি উদ্ধার: ১০টি টিয়া, পাঁচটি পাতি সরালি, ছয়টি টিলা ঘুঘু ও একটি কালিম পাখি
- 📌 ৬ নভেম্বর বিকেল সাড়ে চারটায় নীলফামারী সদর উপজেলার ঢেলাপীর হাটে অভিযান পরিচালনা
- 📌 মুচলেকা নেওয়া হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের থেকে বন্য পাখি ধরা থেকে বিরত থাকার শর্তে
- 📌 বন্য প্রাণী পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির নেতৃত্ব দেন অভিযানে
- 📌 সেতুবন্ধন যুব উন্নয়ন সংস্থা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে
📰 বিস্তারিত
বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের অভিযানে নীলফামারী সদর উপজেলার ঢেলাপীর হাটে বিভিন্ন প্রজাতির ২২টি দেশি পাখি উদ্ধার করা হয়। পাখিগুলোর মধ্যে ছিল ১০টি টিয়া, পাঁচটি পাতি সরালি, ছয়টি টিলা ঘুঘু ও একটি কালিম পাখি। উদ্ধারকৃত পাখিগুলো অবমুক্ত করার পাশাপাশি তাদের খাঁচা থেকে মুক্ত করে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও, পাখি রাখার চারটি লোহার খাঁচাও জব্দ করা হয়।
রাজশাহী বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন্য প্রাণী পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ‘বন্য প্রাণী প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পাখির স্বাভাবিক আবাসস্থল প্রকৃতি, খাঁচা নয়। বন্য পাখি ধরা, খাঁচায় বন্দী করে রাখা কিংবা কেনাবেচা জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর। আমরা খবর পেয়েছিলাম, ঢেলাপীর হাটে দেশি পাখি কেনাবেচা হচ্ছে। শুক্রবার সরেজমিন অভিযান চালিয়ে পাখিগুলো উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়েছে। বন্য প্রাণী সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
পাখি ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সেতুবন্ধন যুব উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, ‘প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখির অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করা জরুরি। কিছু অসাধু ব্যক্তি বন্য পাখি ধরে বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। এতে জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা চাই, মানুষ পাখি শিকার ও কেনাবেচা থেকে বিরত থাকুক। বন্য প্রাণী সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি এ ধরনের কার্যক্রমে আমাদের সংগঠনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’
"বন্য পাখি ধরা, খাঁচায় বন্দী করে রাখা কিংবা কেনাবেচা জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর। আমরা খবর পেয়েছিলাম, ঢেলাপীর হাটে দেশি পাখি কেনাবেচা হচ্ছে। শুক্রবার সরেজমিন অভিযান চালিয়ে পাখিগুলো উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢেলাপীর হাট, নীলফামারী সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাহাঙ্গীর কবির (বন্য প্রাণী পরিদর্শক), আলমগীর হোসেন (সেতুবন্ধন যুব উন্নয়ন সংস্থা সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২টি পাখি (১০ টিয়া, ৫ পাতি সরালি, ৬ টিলা ঘুঘু, ১ কালিম পাখি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!