📌 নোয়াখালীর এওজবালিয়া গ্রামে একা বাসিন্দা নারীর মৃত্যুতে সন্দেহের আড়াল। প্রতিবেশীর দরজা ধাক্কা দিলেই দেখা যায় মেঝেতে লাশ। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালে পাঠিয়েছে
নোয়াখালীর এওজবালিয়া গ্রামে একা বাসিন্দা নারীর মৃত্যুতে সন্দেহের আড়াল। সকাল থেকে ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় প্রতিবেশী নারীর দরজা ধাক্কা দিলেই দেখা যায় মেঝেতে পড়া লাশ। নিহত নারীর নাম ফয়েজের নেছা (৫৫)। তিনি ওই গ্রামের মো. দুলালের স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম এওজবালিয়া গ্রামে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া গ্রামে একা বাসিন্দা নারীর মৃত্যুতে সন্দেহের আড়াল; প্রতিবেশী নারী দরজা ধাক্কা দিলেই লাশ পাওয়া যায়
- 📌 নিহত নারীর নাম ফয়েজের নেছা (৫৫); তিনি একা বাসিন্দা ছিলেন, স্বামী ও দুই ছেলে ঢাকায়, তিন মেয়ে চট্টগ্রামে
- 📌 লাশে মুখে আঁচড়ের দাগ ও গলায় কালচে দাগ থাকায় পরিবার ও পুলিশের মধ্যে সন্দেহের আড়াল
- 📌 সুধারাম থানার পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে
- 📌 স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. বেলাল হোসেন বলেন, লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল
📰 বিস্তারিত
সকাল থেকে ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় ভেতরে থাকা নারীর কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশী নারী দরজা ধাক্কা দেন। এ সময় ঘরের ভেতরে মেঝেতে পড়ে থাকা লাশ দেখতে পান তিনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন জানান, নিহত নারীর নাম ফয়েজের নেছা (৫৫)। তিনি ওই গ্রামের মো. দুলালের স্ত্রী। নারীর মৃত্যুতে সন্দেহের আড়াল থাকায় পরিবার ও পুলিশের মধ্যে আলোচনা চলছে।
নিহত নারীর পরিবার দরিদ্র। তিনি একা বাসিন্দা ছিলেন। স্বামী ও দুই ছেলে ঢাকায় এবং তিন মেয়ে চট্টগ্রামে বসবাস করতেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও পশ্চিম এওজবালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. বেলাল হোসেন বলেন, “আমি বিকেল পৌনে চারটায় ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। বাইরে থেকে ঘরের ভেতরে লাশ পড়ে থাকতে দেখেছি। লোকজনের কাছ থেকে জানা গেছে, নারীর মুখে আঁচড়ের দাগ ও গলায় কালচে দাগ ছিল। পুলিশও এ বিষয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেছে।”
সুধারাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তুষ্টা লাল বিশ্বাস জানান, “বনিবনা না থাকায় স্বামী তাঁর সঙ্গে থাকেন না। পরিবারটি একেবারেই দরিদ্র। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “নারীর কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশী নারী দরজা ধাক্কা দেন। এ সময় ঘরের ভেতরে তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। নারীর শরীরে পুরোনো কালচে দাগ রয়েছে। এ ধরনের দাগ অনেকের শরীরেই থাকে। তবে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
"বনিবনা না থাকায় স্বামী তাঁর সঙ্গে থাকেন না। পরিবারটি একেবারেই দরিদ্র। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী সদর উপজেলা, এওজবালিয়া ইউনিয়ন, পশ্চিম এওজবালিয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়েজের নেছা (৫৫), মো. বেলাল হোসেন, তুষ্টা লাল বিশ্বাস, মো. নজরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নম্বর ওয়ার্ড, ৫৫ বছর বয়স, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!