📌 ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিউগিনি প্রপার্টিজে আর্থিক বিরোধে মারামারি ও ভাঙচুরে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এতে ৩ জনের অবস্থা গুরুতর হয়ে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত সেপ্টেম্বরেও এই প্রকল্পে হামলা হয়েছিল
ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিউগিনি প্রপার্টিজে আজ শনিবার বিকেলে জমি কেনাবেচা নিয়ে আর্থিক বিরোধের জেরে মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে, যার মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ জন গ্রেপ্তার: জমি বিরোধে নিউগিনি প্রপার্টিজে মারামারি ও ভাঙচুরে ১০ পুরুষ ও ৪ নারীসহ মোট ১৪ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
- 📌 ৩ জনের অবস্থা গুরুতর: গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিনজনের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
- 📌 ১০০-১৫০ জনের দল: দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি দল নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা চালায়।
- 📌 গত সেপ্টেম্বরেও হামলা: ২৬ সেপ্টেম্বর নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে, তখন কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওও লুটপাটের শিকার হয়।
- 📌 হামলার সমন্বয়কারী শনাক্ত: মিরপুরের দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য যুবরাজকে হামলার সমন্বয়কারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তবে তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।
📰 বিস্তারিত
পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) মো. আকতার হোসেনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন এলাকায় নিউগিনি প্রপার্টিজে মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওও লুটপাটের শিকার হয়। সেই ঘটনায় হামলার সমন্বয়কারী হিসেবে চিহ্নিত মো. যুবরাজকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
তদন্তে জানা যায়, মিরপুরের দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য যুবরাজকে হামলার সমন্বয়কারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মামলার ১ নম্বর আসামি শাহরিয়ার মাহমুদ মো. ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১৩ জন হামলার পরিকল্পনা করেন। পরে ইব্রাহিম লোকজন সংগ্রহ করে হামলার দায়িত্ব দেন যুবরাজকে। ওই ঘটনায় হামলার পরিকল্পনা ও সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে আটজন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, হামলায় জড়িত আরও ৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
"দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি দল নিউগিনি প্রপার্টিজের ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর সেখানে ভাঙচুর ও মারামারি শুরু হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমান মুক্তাদির, মো. যুবরাজ, মো. ইব্রাহিম, মো. আকতার হোসেন, শাহরিয়ার মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ জন গ্রেপ্তার, ৩ জনের অবস্থা গুরুতর, ১০০-১৫০ জন হামলাকারী, ২৬ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!