📌 নওগাঁ মহাদেবপুরের শালিজান গ্রামে বৈদ্যুতিক ফ্যানের সুইচ দিতে গিয়ে ৬৩ বছর বয়সী মুকিন উদ্দিনের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায়। স্থানীয় ওসি জানান, পরিবারের অনুরোধে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে
নওগাঁ মহাদেবপুরের শালিজান গ্রামে বৈদ্যুতিক ফ্যানের সুইচ দিতে গিয়ে ৬৩ বছর বয়সী মুকিন উদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুকিন পাশের তেঁতুল পুকুর বাজারে যান এবং সেখান থেকে বাসায় ফিরে ফ্যানের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘরের দেওয়ালে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মহাদেবপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬৩ বছর বয়সী মুকিন উদ্দিনের মৃত্যু: নওগাঁ মহাদেবপুরে বৈদ্যুতিক ফ্যানের সুইচ দিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঘটনা
- 📌 ঘটনা: ১৫ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, সকাল সাড়ে ৭টায় শালিজান গ্রামে
- 📌 মৃত ব্যক্তি: মুকিন উদ্দিন (৬৩), মরহুম নবির উদ্দিনের ছেলে
- 📌 পরিবারের সদস্যরা তাকে মহাদেবপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়
- 📌 মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, পরিবারের অনুরোধে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মুকিন উদ্দিনের পরিবার জানায়, সকালে তিনি পাশের তেঁতুল পুকুর বাজারে গিয়েছিলেন এবং সেখানে নাস্তা করে বাসায় ফিরে আসেন। ঘরে ফ্যানের সুইচ দিতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘরের দেওয়ালে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মহাদেবপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, ‘নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের অনুরোধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি তদন্তের জন্য পুলিশ কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে।
"নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ও তাদের অনুরোধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাদেবপুর, নওগাঁ, শালিজান গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুকিন উদ্দিন (৬৩), ওসি ওমর ফারুক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ বছর বয়স, ১৫ সেপ্টেম্বর, সকাল সাড়ে ৭টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!