📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২৮ বছর ধরে বুড়িচংয়ের সেতু পড়ে আছে, সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্যবহারহীন

২৮ বছর ধরে বুড়িচংয়ের সেতু পড়ে আছে, সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্যবহারহীন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল গ্রামের একটি ২৮ বছর পুরনো সেতু এখনও ব্যবহারহীন রয়েছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি দিয়ে যানবাহন চলাচল করে না, স্থানীয়রা ঝুঁকি নিয়ে পায়ে হাঁটে নদ পার হয়। স্থানীয়রা প্রশাসনের উদ্যোগ চায়

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের বাকশিমুল গ্রামে ২৮ বছর ধরে একটি সেতু পড়ে আছে। এই সেতুটি নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এখনও এটি ব্যবহারহীন। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি সংযোগ সড়ক দিয়ে ব্যবহারযোগ্য করার আহ্বান জানাচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৮ বছর পুরনো সেতু বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল গ্রামে পড়ে আছে, দৈর্ঘ্য ৬০ ফুট, প্রস্থ ১০ ফুট।
  • 📌 সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল করে না, স্থানীয়রা ঝুঁকি নিয়ে পায়ে হাঁটে নদ পার হয়।
  • 📌 পূর্ব পাশে ৯টি সিঁড়ি আছে, পশ্চিম পাশে মাটি ও বালুর বস্তা দিয়ে উঠানামা করা হয়।
  • 📌 ২০ হাজার মানুষের চলাচলে সুবিধা পেতে পারত সেতুটি, যদি সংযোগ সড়ক তৈরি হত।
  • 📌 ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে নির্মিত সেতুটি, এলজিইডির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
  • 📌 প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা উদ্যোগ নিলে সেতুটি সংযোগ সড়ক দিয়ে ব্যবহারযোগ্য হতে পারে।

📰 বিস্তারিত

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের বাকশিমুল গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে ঘুংঘুর নদ। এই নদের ওপর ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে নির্মিত একটি সেতু এখনও ব্যবহারহীন রয়েছে। সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৬০ ফুট এবং প্রস্থ ১০ ফুট। বছর পাঁচেক আগে স্থানীয় লোকজন নিজেদের উদ্যোগে সেতুর পূর্ব পাশে ৯টি সিঁড়ি নির্মাণ করেছেন। অন্য পাশে কোনো সিঁড়ি নেই, সেখানে ঝুঁকি নিয়ে সেতুতে উঠতে ও নামতে হয়। সমতল থেকে সেতুটির অবস্থান খাড়া হওয়ায় শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের সমস্যায় পড়তে হয়।

বাকশিমুল গ্রামের বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, বাকশিমুল ইউনিয়নের মধ্যে বাকশিমুল গ্রামটি বেশ বড়। সংযোগ সড়ক থাকলে এই সেতু দিয়ে বাকশিমুল ছাড়াও ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের ২০ হাজার মানুষের চলাচলে সুবিধা পেত। অন্যদিকে, মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ‘এই ব্রিজ দিয়ে গাড়ি না চলার কারণে আমাদের অনেক পথ ঘুইরা আসা-যাওয়া করতে হয়। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা উদ্যোগ নিলে আমরা অনেক আগেই এই ব্রিজ দিয়ে চলাচল করতে পারতাম।’

বাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল করিম জানান, সেতুটি ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে নির্মাণ করা হয়েছিল। তাঁর ধারণা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘যে জায়গায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। কিন্তু বর্তমানে সেতু দিয়ে গাড়ি চলাচলের কোনো পরিবেশ নেই। দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা গেলে সেতুটি এখনো ব্যবহার করা সম্ভব।’

বুড়িচং উপজেলার এলজিইডির সাবেক প্রকৌশলী আলিফ আহমেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেতুটি নির্মাণের সময় সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা ছেড়ে দিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের বলা হয়েছিল। পরে ওই জায়গার একাংশ নিয়ে স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে মামলা হয়। মামলা চলমান থাকায় সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।

"বড় ব্রিজ হইলেও এইডা দিয়ে পায়ে হাঁটা ছাড়া কোনো গাড়ি চলে নাই। একসময় মানুষ নৌকায় এই নদ পার হতো। ব্রিজ হওয়ার পর আমরা ভাবছিলাম জীবনযাত্রা সহজ হইবো। কিন্তু ব্রিজটা মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়াইছে।"

বাকশিমুল গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক মফিজুর রহমানের মতে, সেতু দিয়ে ওঠানামার সময় বিভিন্ন সময়ে অনেক মানুষ হোঁচট খেয়ে আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এই সেতুটি ব্যবহার না হওয়ায় স্থানীয়দের জীবনযাত্রায় অসুবিধা হচ্ছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাকশিমুল গ্রাম, বুড়িচং উপজেলা, কুমিল্লা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহিরুল ইসলাম, মোসলেহ উদ্দিন, আবদুল করিম, আলিফ আহমেদ, মফিজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর, ৬০ ফুট দৈর্ঘ্য, ১০ ফুট প্রস্থ, ৯টি সিঁড়ি, ২০ হাজার মানুষ, ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖