📌 নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় কাঠ পুড়িয়ে অবৈধ কয়লা তৈরির কারখানা ধ্বংস করা হয়। জব্দ হয় ৩ হাজার মণ কাঠ ও ৯০২ বস্তা কয়লা, মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় একটি অবৈধ কয়লা কারখানার ধ্বংসের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে সারুলিয়া গ্রামের নবগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এই কারখানায় অভিযান চালিয়ে কারখানাটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়। এতে জব্দ হয় ৩ হাজার মণ কাঠ ও ৯০২ বস্তা কয়লা, যার মোট মূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ নভেম্বর নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সারুলিয়া এলাকায় অবৈধ কয়লা কারখানা ধ্বংস করা হয়
- 📌 ৩ হাজার মণ কাঠ ও ৯০২ বস্তা কয়লা জব্দ করা হয়, মোট মূল্য ৭ লাখ টাকা
- 📌 মালিককে ২০ হাজার টাকা ও ৩ জন শ্রমিককে ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়
- 📌 মো. রুবেল শেখ (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা
- 📌 জব্দকৃত মালামাল স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের হাতে জমা দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সারুলিয়া গ্রামের নবগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাগানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারখানা পরিচালিত হচ্ছিল। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে এই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে কারখানাটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয় এবং জব্দ করা হয় ৩ হাজার মণ কাঠ ও ৯০২ বস্তা কয়লা। এছাড়াও কারখানায় থাকা নগদ টাকা ২২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুবেল শেখ। তিনি জানান, কারখানার মালিককে ২০ হাজার টাকা এবং তিন জন শ্রমিককে করে করে ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামাল স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের হাতে জমা দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মো. রুবেল শেখ পরিবেশের সুরক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পরিবেশ দূষণ রোধে আইনের কড়া হাত ধরে রাখতে হবে এবং অবৈধ কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
"জব্দকৃত মালামাল স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে, সেগুলো বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে বলা হয়েছে। পরিবেশের সুরক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে দূরে থাকা আহ্বান জানিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা, সারুলিয়া গ্রাম, নবগঙ্গা নদীর তীর
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মো. রুবেল শেখ (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট), কারখানার মালিক ও শ্রমিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ লাখ টাকা (মালামালের মূল্য), ৩ হাজার মণ কাঠ, ৯০২ বস্তা কয়লা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!