📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোয়াখালীতে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় সালিশে যুবককে বেত্রাঘাতের পর লাথি মারার অভিযোগ, পরিবার নিরাপত্তাহীনতা ভোগ করছে

নোয়াখালীতে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় সালিশে যুবককে বেত্রাঘাতের পর লাথি মারার অভিযোগ, পরিবার নিরাপত্তাহীনতা ভোগ করছে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালী সদর উপজেলায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত যুবককে সালিশে ৫০টি বেত্রাঘাতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও পরে তা বন্ধ করা হয়। ঘটনার পর কিশোরীকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে এবং পরিবার নিরাপত্তাহীনতা ভোগ করছে। ঘটনাটি পুলিশকে জানানো হয়নি

নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত যুবক পিয়াস উদ্দিন রাকিবকে সালিশ বৈঠকে বেত্রাঘাতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও পরে তা বন্ধ করা হয়। ঘটনার পর কিশোরীকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে এবং পরিবার নিরাপত্তাহীনতা ভোগ করছে। ঘটনাটি পুলিশকে জানানো হয়নি বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৪ বছর বয়সী কিশোরী নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত পিয়াস উদ্দিন রাকিবকে সালিশে ৫০টি বেত্রাঘাতের সিদ্ধান্ত দেওয়া হলেও পরে তা বন্ধ করা হয়।
  • 📌 সালিশ বৈঠকে বেত্রাঘাতের পর অভিযুক্ত যুবক কিশোরীকে দুটি লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর পরিবার নিরাপত্তাহীনতা ভোগ করছে।
  • 📌 পুলিশকে ঘটনা জানানো হয়নি এবং অভিযোগটি স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে।
  • 📌 ভুক্তভোগী কিশোরীর বাড়ি এবং অভিযুক্ত যুবকের বাড়ি পাশাপাশি অবস্থিত। ঘটনার সময় কিশোরী স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

📰 বিস্তারিত

গতকাল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের এক বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। কিশোরী বিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত পিয়াস উদ্দিন রাকিব আগে থেকে ঘরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে জাপটে ধরে খাটের ওপর ফেলে দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তি করে নিজেকে ছাড়িয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যান কিশোরী। পরে তার নানিকে বিষয়টি জানান। নানি বাড়িতে এসে অভিযুক্ত যুবককে ধরার চেষ্টা করলে তিনি পালিয়ে যান।

কিশোরীর নানি জানান, ঘটনার সময় তিনি বাড়ির পাশের রাস্তায় ছাগল বাঁধতে গিয়েছিলেন। এ সময় নাতনির চিৎকার শুনে দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে নাতনির কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন। পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হলে বিকেলে সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে অভিযুক্ত যুবককে ৫০টি বেত্রাঘাতের সিদ্ধান্ত হয়। তবে কয়েকটি বেত্রাঘাতের পর সালিশে উপস্থিত ব্যক্তিরা তা বন্ধ করে দেন। পরে অভিযুক্ত যুবককে কিশোরীর কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। এ সময় কিশোরী তাকে একটি চড় দেয়। এর জেরে ওই যুবক কিশোরীকে দুটি লাথি মারেন বলে পরিবারের অভিযোগ।

সরেজমিনে ওই বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাউকে পাওয়া যায়নি। সেখানে কিশোরীর এক বাক্প্রতিবন্ধী মামাকে দেখা যায়। পরে তাঁর নানি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। কিশোরীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মা জানান, মেয়েকে নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে গেছেন। কখন বাড়িতে ফিরবেন, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি। পরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

"আমাদের পরিবার নিরাপত্তাহীনতা ভোগ করছে। ঘটনাটি পুলিশকে জানানো হয়নি। সালিশে অভিযুক্ত যুবককে বেত্রাঘাতের ঘটনাও ঘটেছে।"

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, ঘটনাটি পুলিশকে না জানিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সালিশে অভিযুক্ত যুবককে বেত্রাঘাতের ঘটনাও ঘটেছে। কিশোরীর নানি জানান, তাঁর নাতনির সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের বিয়ের কথাবার্তা চলছে। উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে। সালিশ বৈঠকে কিশোরীর জেঠা ও হবু স্বামী উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান তিনি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালী সদর উপজেলা, এওজবালিয়া ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পিয়াস উদ্দিন রাকিব (অভিযুক্ত), কিশোরী (ভুক্তভোগী), কিশোরীর নানি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর (কিশোরীর বয়স), ১১:০০ (ঘটনার সময়), ৫০টি (বেত্রাঘাতের সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖