📌 মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে জমিজমা বিরোধের জেরে বাবা-মেয়ে দুজনকে হত্যা করা হয়। বুধবার রাতে হামলায় বাবা গোলাপ হোসেন আহত হন, বৃহস্পতিবার সকালে মেয়ের মরদেহ কাশবনে পাওয়া যায়। দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বাবার মৃত্যু হয়।
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বাবা-মেয়ে দুজনকে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার রাতে এক হামলায় বাবা গোলাপ হোসেন আহত হন এবং মেয়ের মরদেহ বৃহস্পতিবার সকালে কাশবনে পাওয়া যায়। দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বাবার মৃত্যু হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোলাপ হোসেন (৪২) ও তার ৪ বছর বয়সী মেয়ে তোয়াবাকে জমিজমা বিরোধের জেরে হত্যা করা হয়েছে।
- 📌 বুধবার রাতে সোহরাব হোসেনসহ প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়, বাবা-মেয়ে আলাদা হয়ে যায়।
- 📌 গোলাপ হোসেন আহত অবস্থায় বাড়ি ফিরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মৃত্যুবরণ করেন।
- 📌 বৃহস্পতিবার সকালে তোয়াবার মরদেহ রামকৃষ্ণদী গ্রামের একটি কাশবনে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়।
- 📌 পুলিশ সোহরাব হোসেনকে আটক করেছে এবং জমিজমা বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে।
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রামকৃষ্ণদী গ্রামে বুধবার রাতে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে একটি মারাত্মক ঘটনা ঘটে। গোলাপ হোসেন তার খালাতো বোনকে বিয়ে করেছিলেন এবং শ্বশুরবাড়ি ও নানার বাড়ি একই এলাকায় অবস্থিত। জমিজমা নিয়ে গোলাপের মামাদের সঙ্গে প্রতিপক্ষের পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। এই বিরোধের জেরে বুধবার বিকেলে গোলাপ তার মেয়ে তোয়াবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। এশার নামাজের পর পথিমধ্যে ইটভাটা এলাকায় সোহরাব হোসেনের দলবল তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় বাবা-মেয়ে আলাদা হয়ে যায়।
হামলায় গুরুতর আহত গোলাপ হোসেন কোনো রকমে বাড়ি ফিরে আসেন। স্বজনেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাকে কেরানীগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়। অন্যদিকে, রাতে তোয়াবার সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা চালানো হলেও সফলতা না পেয়েছিলেন স্বজনরা। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন রামকৃষ্ণদী গ্রামের একটি কাশবনে শিশুটির গলাকাটা মরদেহ পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে গোলাপের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ১২:৩০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। গোলাপের মা হাসু বেগম বলেন, ‘সোহরাবরা আমার ভাইদের সম্পত্তি নিয়ে গেছে। আমার ছেলেকে কয়েকবার মারধর করেছে। আমার ছেলে নাতনিকে নিয়ে বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিল, তখন সোহরাব দলবল নিয়ে হামলা করে ওদের দুজনকে কুপিয়ে মেরেছে। আমি এর বিচার চাই।’
"সামান্য জমির জন্য তারা আমার ছেলে ও নাতনিকে কুপিয়ে মেরেছে। আমি এর বিচার চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজদিখান উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ; রামকৃষ্ণদী গ্রাম, লতব্দী ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোলাপ হোসেন (বাবা), তোয়াবা (৪ বছর, মেয়ে), সোহরাব হোসেন (অভিযুক্ত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ বছর (তোয়াবার বয়স), ২৮ অক্টোবর (হামলার তারিখ), ২৯ অক্টোবর (মরদেহ পাওয়া তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!