📌 মোহাম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। গোয়েন্দা সংস্থার দুই সদস্য, আনসার সদস্য ও নিরাপত্তাপ্রহরীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় আরও দুজন আসামি রয়েছে
মোহাম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পুলিশ গোয়েন্দা সংস্থার দুই সদস্য, আনসার সদস্য ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাপ্রহরীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনায় আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। ঘটনাস্থলে ৭০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়, কিন্তু তা সন্তুষ্ট না করে মারধর করা হয়।
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা সংস্থার সার্জেন্ট আল মামুন ও ল্যান্স করপোরাল নুরুজ্জামান, আনসার সদস্য সোহেল রানা, নিরাপত্তাপ্রহরী মুকুল গাজী, মাহফুজুর রহমান ও জিয়াউল ইসলাম।
- 📌 মামলায় আরও দুজন আসামি রয়েছে: সোনিয়া ও ফনিরুল ওরফে মনিরুল।
- 📌 শেরেবাংলা নগরে পুলিশের সহায়তায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।
- 📌 ঢাকা মহানগর হাকিম আশরাফুল হক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতে মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে ব্যবসায়ী মো. শরীফ শ্যামলীকে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সোহেল রানা নিজের বোন সোনিয়া বলে পরিচয় দেন। বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে সোহেল বের হয়ে যান। কিছুক্ষণ পর অন্য আসামিরা এসে মারধর শুরু করেন এবং ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। শরীফ ঘটনাস্থলে ৭০ হাজার টাকা প্রদান করেন, কিন্তু তা সন্তুষ্ট না হয়ে আবার মারধর করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেন শরীফ।
ভোর ৩টার দিকে অভিযুক্তরা শরীফকে টয়োটা গাড়িতে তুলে নেন। গাড়িটি শেরেবাংলা নগরে শিশু হাসপাতালের বিপরীত দিকে রেখে তারা চা পান করতে যান। শরীফ একটি পুলিশের গাড়ি দেখে সহায়তা চান। শেরেবাংলা নগর থানার টহল দলের পুলিশ তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা সংস্থার সার্জেন্ট আল মামুন ও ল্যান্স করপোরাল নুরুজ্জামান, আনসার সদস্য সোহেল রানা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাপ্রহরী মুকুল গাজী, নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার মাহফুজুর রহমান এবং লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থানার জিয়াউল ইসলাম। মামলায় আরও দুজন আসামি রয়েছে: সোনিয়া ও ফনিরুল ওরফে মনিরুল।
"বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে সোহেল ঘর থেকে বেরিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর মামলার অন্য আসামিরা সেখানে এসে তাঁকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন তাঁরা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শরীফ শ্যামলী (ব্যবসায়ী), সোহেল রানা (আনসার সদস্য), আল মামুন (গোয়েন্দা সংস্থার সার্জেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ টাকা (দাবি), ৬ জন গ্রেপ্তার, ৭০ হাজার টাকা (প্রদান), ৩ টি (টয়োটা গাড়ি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!