📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশে ই-জিপি বাধ্যতামূলক নয়: দ্রুত বাস্তবায়নের পথ খুলেছে সরকার

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশে ই-জিপি বাধ্যতামূলক নয়: দ্রুত বাস্তবায়নের পথ খুলেছে সরকার

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরিত 'বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬' কার্যকর হয়েছে। এই অধ্যাদেশে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কেনাকাটায় ই-জিপি ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয় ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদ, আঙিনা, জলাশয় ও পতিত জমিতে দ্রুত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরিত ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ কার্যকর হয়েছে। এই অধ্যাদেশে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেনাকাটায় ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়নি। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ির ছাদ, আঙিনা, জলাশয় ও উপযুক্ত জমিতে দ্রুত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯ অক্টোবর ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এ স্বাক্ষর করেন; কার্যকর হয়েছে অধ্যাদেশের জারি হওয়া দিন থেকেই।
  • 📌 সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কেনাকাটায় ই-জিপি ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়; অধ্যাদেশের ৭ নম্বর ধারা এ বিধান রাখে।
  • 📌 সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির ছাদ, আঙিনা, জলাশয়সহ ৫ মেগাওয়াটের কম ক্ষমতাবিশিষ্ট সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা এই অধ্যাদেশের আওতায় পড়বে।
  • 📌 ওপেক্স ও ক্যাপেক্স মডেলে বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে; ওপেক্স মডেলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
  • 📌 জেলাভিত্তিক যোগ্য সার্ভিস প্রোভাইডার তালিকা তৈরি ও হালনাগাদ করবে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ’।

📰 বিস্তারিত

সরকারি-বেসরকারি ভবনের ছাদ, আঙিনা, জলাশয় ও পতিত জমিতে দ্রুত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করে সরকার এই উদ্যোগকে বাস্তবায়নের পথ খুলেছে। অধ্যাদেশের সাত নম্বর ধারায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কেনাকাটায় ই-জিপি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়নি। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ ও অন্যান্য আইনের বিপরীতে, এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণে এই বিধান প্রযোজ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯ অক্টোবর অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেন। একই দিন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এটি প্রকাশ করে। সংসদ অধিবেশনে না থাকায় এবং আশু ব্যবস্থা নেওয়ার মত পরিস্থিতি থাকায় সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেছেন।

অধ্যাদেশে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা’ বলতে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, সরকারি কোম্পানির পাশাপাশি বাসাবাড়ির ছাদ, আঙিনা বা উপযুক্ত স্থানে বসানো সৌরবিদ্যুৎকে বোঝানো হয়েছে। এই ব্যবস্থার সর্বোচ্চ সক্ষমতা হবে ৫ মেগাওয়াট। তবে বৃহৎ ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ (ল্যান্ডবেজড সোলার) এই সংজ্ঞার বাইরে থাকবে। ‘উপযুক্ত স্থান’ বলতে ভবনের ছাদ বা আঙিনা, ভবন সংলগ্ন পতিত জমি বা জলাশয়কে বোঝানো হয়েছে।

অধ্যাদেশে দুটি বিনিয়োগ মডেলের কথা বলা হয়েছে: ওপেক্স ও ক্যাপেক্স। ওপেক্স মডেলে সার্ভিস প্রোভাইডার নিজ খরচে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বসান, চালান ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন। ক্যাপেক্স মডেলে প্রতিষ্ঠান নিজ খরচে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা কেনে, স্থাপন করে এবং মালিকানা সংরক্ষণ করে। আইন অনুযায়ী, বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ওপেক্স মডেলে স্থাপন করা যাবে।

"বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রমের দ্রুত বিস্তার নিশ্চিত করতে বিশেষ বিধান প্রণয়ন করা প্রয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারাদেশ)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ অক্টোবর (অধ্যাদেশ জারি), ৫ মেগাওয়াট (সৌরবিদ্যুৎ ক্ষমতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖