📌 মোহাম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে আটকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে মারধর ও জখম করার অভিযোগে পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে
মোহাম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে আটকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে মারধর ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে আটকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে মারধর ও জখম করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সার্জেন্ট আল মামুন (৩৯), ল্যান্স করপোরাল মো. নুরুজ্জামান (৩১), আনসার সদস্য মো. সোহেল রানা (৩২), মো. মুকুল গাজী (২৬), মাহফুজুর রহমান (২২) ও মো. জিয়াউল ইসলাম (৩৫)।
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে সোহেল রানা ভুক্তভোগীর প্রতিবেশী, যিনি তার সঙ্গে পরিচয় থেকে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন।
- 📌 ২৪ অক্টোবর রাতে ভুক্তভোগীকে আটকে রাখা হয় এবং ৭০ হাজার টাকা দিলেও তারা ১০ লাখ টাকা দাবি করে মারধর ও জখম করেন।
- 📌 ভুক্তভোগী পুলিশের গাড়ি দেখে পালিয়ে গিয়ে ঘটনাটি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাদের আটক করে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করে।
- 📌 মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল ইসলাম আদালতে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানান।
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদপুর এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে আটকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে মারধর ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাটি ঘটে ২৪ অক্টোবর রাতে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল ইসলাম জানান, শ্যামলী এলাকায় একটি গাড়ি থামিয়ে পুলিশ সদস্যরা জানতে পারেন যে, একজন ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়েছে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাটি জানা যায় এবং ভুক্তভোগীকে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত সোহেল রানা ভুক্তভোগীকে তার বাড়িতে নিয়ে যান এবং ওয়াশরুমে যাওয়ার কথা বলে বেরিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর অন্য পাঁচজন আসামি ভুক্তভোগীকে আটকে রাখেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ভুক্তভোগী ৭০ হাজার টাকা দিলেও তারা সন্তুষ্ট না হয়ে মারধর করেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করেন। পরে তারা আবারও ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের ফোন করে টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেন।
রাত তিনটার দিকে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে একটি সাদা রঙের টয়োটা প্রোবক্স প্রাইভেট কারে তুলে নিয়ে শ্যামলীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের বিপরীত পাশে নিয়ে যান। গাড়িতে চা খেতে নামলে ভুক্তভোগী পুলিশের গাড়ি দেখে পালিয়ে গিয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় ঘটনাটি জানান। পরে পুলিশ তাদের আটক করে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করে। অভিযুক্ত জিয়াউল ইসলামের চালিত প্রাইভেট কারটিও জব্দ করা হয়।
২৫ অক্টোবর সকাল সাতটার দিকে মোহাম্মদপুর থানাধীন আল্লাহকরিম মসজিদের সামনে থেকে আনসার সদস্য সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের শুনানিতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদেশে ছয়জন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
"আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সার্জেন্ট আল মামুন (৩৯), ল্যান্স করপোরাল মো. নুরুজ্জামান (৩১), মো. সোহেল রানা (৩২), মো. মুকুল গাজী (২৬), মাহফুজুর রহমান (২২), মো. জিয়াউল ইসলাম (৩৫)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ টাকা (চাঁদা), ৬ জন (গ্রেপ্তারকৃত), ২৪ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!