📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্টের নিখোঁজ: মায়ের বার্তায় ‘ফিরছি’ বললেও তুরাগে ভাসমান লাশ উদ্ধার

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্টের নিখোঁজ: মায়ের বার্তায় ‘ফিরছি’ বললেও তুরাগে ভাসমান লাশ উদ্ধার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির লাশ তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ের ফোনে ‘ফিরছি’ বার্তা পাঠিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু পরদিন লাশ পাওয়া গেল। পরিবার জানায়, মোটরসাইকেলও হারিয়ে গেছে

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির নিখোঁজ হওয়ার পর তার ভাসমান লাশ তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ের ফোনে বারবার ‘ফিরছি’ বার্তা পাঠিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু পরদিন তার লাশ রাজাবাড়ী ঘাট এলাকায় উদ্ধার করা হয়। পরিবার জানায়, তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও হারিয়ে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তাহসিফ সাউরি (বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট) মঙ্গলবার রাতে বাসায় ফিরতে বললেও পরদিন তার লাশ তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার করা হয়।
  • 📌 রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মায়ের ফোনে ‘ফিরছি’ বার্তা পাঠিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফিরেননি।
  • 📌 মোটরসাইকেলও হারিয়ে গেছে — পরিবার জানায়, মঙ্গলবার বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সেটি সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন।
  • 📌 বাবা এনায়েতুল করিম জানান, বিমানবাহিনী থেকে চাকরি চলে যাওয়ার কারণ হিসেবে ‘শৃঙ্খলাজনিত’ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল।
  • 📌 উত্তরখান থানা জানায়, এখনো কোনো অভিযোগ পায়নি। ঘটনাটি নৌ পুলিশ দেখছে।

📰 বিস্তারিত

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি দিনভর মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা করেছিলেন। বাবার জন্যও কিছু জিনিস কিনেছিলেন। সন্ধ্যার পর বন্ধুস্থানীয় এক ছোট ভাইয়ের ডাকে বাসা থেকে বের হন। রাতে মাকে বার্তা পাঠিয়ে জানিয়েছিলেন, বাসায় ফিরছেন। কিন্তু পরদিন বুধবার বিকেলে তুরাগ নদ থেকে তাঁর ভাসমান লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

তাহসিফের মৃত্যুর পর তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিরও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। মঙ্গলবার সেটি নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তাঁর এক স্বজন। তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিম ও এক স্বজনের সঙ্গে কথা বলে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের ‘করবী’ ভবনে থাকতেন তাহসিফ। বাবা এনায়েতুল করিম প্রথম আলোকে জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর তাহসিফের বন্ধুস্থানীয় দ্বীপ নামের এক ছোট ভাই বাসার নিচে এসে তাঁকে ডাকেন। দ্বীপের সঙ্গে কথা বলে ফিরবেন জানিয়ে নিচে নামেন তাহসিফ। এরপর আর বাসায় ফেরেননি।

তাহসিফ বাসায় না ফেরায় তাঁর মা একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁকে পাননি। রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে মায়ের মুঠোফোনে একটি বার্তা পাঠান তাহসিফ। তাতে জানান, তিনি বাসায় ফিরছেন। তবে বার্তাটি পড়ে ছেলেকে ব্যস্ত মনে হয়েছিল বলে জানান এনায়েতুল করিম।

বুধবার দুপুরে তুরাগ থানায় যান বাবা এনায়েতুল করিম। তখন ছেলের বিষয়ে তাঁকে কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ। এরপর ওই দিন বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে উত্তরখান থানা থেকে ফোন পান এনায়েতুল করিম। তাঁকে জানানো হয়, ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাহসিফের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ি।

তাহসিফের সঙ্গে সেদিন কী ঘটেছিল, তা জানতে দ্বীপের সঙ্গেও কথা বলেছেন পরিবারের সদস্যরা। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, দ্বীপ তাঁদের জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে তাহসিফের সঙ্গে তিনি একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেছিলেন। এরপর তাহসিফকে তাঁর বাসার এলাকার কাছে রেখে দ্বীপ ফিরে যান।

তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিম জানান, বিমানবাহিনী থেকে ছেলের চাকরি চলে যাওয়ার কারণ হিসেবে ‘শৃঙ্খলাজনিত’ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল। এরপর তাহসিফ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও নেত্র নিউজে কাজ করেন। ছেলের স্বভাব সম্পর্কে এনায়েতুল করিম বলেন, ‘সে ছিল অত্যন্ত জেন্টেল প্রকৃতির ও সামাজিক। সিনিয়র-জুনিয়র সবার সঙ্গে তাঁর ভালো সম্পর্ক ছিল।’

"আমরা দ্বীপের সঙ্গেও কথা বলেছি। কিন্তু তাহসিফের বাইকটি মিসিং। পুলিশ আমাদের কাছে বাইকের ডিটেইলস, ছবি চেয়েছে। আমরা দিয়েছি, পুলিশ এটা বলতে পারবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তুরাগ নদ (রাজাবাড়ী ঘাট), উত্তরখান থানা, উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টর (রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাহসিফ সাউরি (বাবা: এনায়েতুল করিম, বন্ধু: দ্বীপ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ (সেক্টর নম্বর), ১ (বার্তা), ৩৫ (মিনিট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖