📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে অবৈধ জাল ধ্বংস: ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকার জাল পুড়িয়ে ফেলা

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে অবৈধ জাল ধ্বংস: ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকার জাল পুড়িয়ে ফেলা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের শিবালয়ে যমুনা নদীর অভিযানে ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ ও পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এছাড়াও ২৭ কেজি ইলিশ মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় যমুনা নদীর অভিযানে ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকার মূল্যের অবৈধ জাল জব্দ করা হয় এবং তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে অভিযান চালানো হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযানে ৪ লাখ ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ১২০টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়, যার মূল্য ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা
  • 📌 অভিযানে ২৭ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়, যা এতিমখানায় বিতরণ করা হয়
  • 📌 জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম মনিরের নেতৃত্বে আলোকদিয়া এলাকায় ৮০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়, যার মূল্য ২৮ লাখ টাকা
  • 📌 উদ্ধার করা জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং ইলিশ মাছ দুস্থ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ও শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়। অন্বয়পুর, আরিচা, তেওতা ও আলোকদিয়া এলাকার যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ১২০টি চায়না দুয়ারি জাল ও ৭ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা জালগুলোর মূল্য ১ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগীর উপস্থিতিতে জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম মনিরের নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে তেওতা, জাফরগঞ্জ, চরশিবালয় ও আলোকদিয়ার চর এলাকায় ৮০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এসব জালের মূল্য ২৮ লাখ টাকা। এ সময় আরও ২০ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা জাল নদীর তীরে জনসমক্ষে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। উদ্ধার করা ইলিশ স্থানীয় একটি এতিমখানা ও নদীতীরবর্তী দুস্থ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

অভিযানে জেলা মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগীসহ মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌ-থানা পুলিশের সদস্যরা অভিযানে সহায়তা করেন।

"দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে অবৈধভাবে মাছ আহরণের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শিবালয় উপজেলা, মানিকগঞ্জ; যমুনা নদী, পাটুরিয়া
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম মনির, সাথী রানী নিয়োগী, মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা (জালের মূল্য), ২৭ কেজি (ইলিশ মাছ), ১২০টি (চায়না দুয়ারি জাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖