📌 মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। শতাধিক গ্রামবাসী অংশ নেন এই শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে, যেখানে মাছ ধরার পাশাপাশি সমাজের একতা উদযাপিত হয়
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় শতবর্ষের ঐতিহ্য ধরে রাখে ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসব। রোববার সকাল ১০টায় ধলাই নদীর রহিমপুর ইউনিয়নের মির্তিঙ্গা সেতু এলাকায় এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় মৎস্য শিকারিরা এবং আশপাশের গ্রামের শতাধিক মানুষ এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌলভীবাজারর কমলগঞ্জ উপজেলায় ধলাই নদীর মির্তিঙ্গা সেতু এলাকায় অনুষ্ঠিত হয় শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসব।
- 📌 উৎসবের আয়োজন করা হয় রহিমপুর ইউনিয়নের ধলাই নদীর তীরে, যেখানে শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
- 📌 উৎসবের মূল উদ্দেশ্য নন মাছ ধরা বরং সমাজের একতা ও ঐতিহ্য বজায় রাখা।
- 📌 উৎসবের আগের দিন মুন্সীবাজারে ঢোল পিটিয়ে প্রচার করা হয়, যা স্থানীয়দের আকর্ষণ করে।
- 📌 উৎসবের সময় সকল বয়সের মানুষ অংশ নেন, কেউ মাছ পায়, কেউ খালি হাতে ফিরে আসেন।
📰 বিস্তারিত
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর তীরে রহিমপুর ইউনিয়নের মির্তিঙ্গা সেতু এলাকায় আজ রোববার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসব। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই উৎসব প্রতি বছর এই সময়ে অনুষ্ঠিত হয় এবং শতবর্ষের ঐতিহ্য ধরে রাখে। উৎসবের আয়োজন করা হয় মাছ ধরার মাধ্যমে, যেখানে স্থানীয় মৎস্য শিকারিরা এবং আশপাশের গ্রামের শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
উৎসবের আগের দিন স্থানীয় মুন্সীবাজারে ঢোল পিটিয়ে প্রচার করা হয়, যা স্থানীয়দের উৎসবে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করে। আজ সকাল থেকে মাছশিকারিরা নদীর পাড়ে জড়ো হতে থাকেন। নির্ধারিত সময় সকাল ১০টার দিকে সবাই একসঙ্গে নদীতে নেমে পলো দিয়ে মাছ ধরা শুরু করেন। যাঁদের পলো ছিল না, তাঁরাও জাল নিয়ে মাছ ধরতে নামেন।
উৎসবে অংশ নেওয়া সাদিকুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল বাজারে উৎসবের ঘোষণা শুনে আজ পলো বাওয়া দেখতে এসেছি। গ্রামবাংলার চমৎকার দৃশ্য। সব বয়সের মানুষ পলো নিয়ে মাছ ধরতে নেমেছেন। যাঁদের পলো নেই, তাঁরাও জাল নিয়ে নেমেছেন।’
উৎসবের আয়োজকদের কথায়, শত বছর ধরে বছরের এই সময়ে তাঁরা পলো বাওয়া উৎসব করে আসছেন। সব বয়সের মানুষ এতে অংশ নেন। ভাগ্য সহায় হলে কেউ একাধিক মাছ পান, আবার কেউ খালি হাতে ফেরেন। তবে মাছ পাওয়াই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য নয়; একসঙ্গে উৎসবে মেতে ওঠাই আনন্দের। উৎসবে অংশ নেওয়া জসিম আহমেদ বলেন, ‘শতাধিক মানুষ এতে অংশ নিয়েছেন। সবাই মাছ ধরার জন্য আসেননি, অনেকে এসেছেন উৎসবে যোগ দিতে। কেউ মাছ পাবেন, কেউ খালি হাতে ফিরবেন—এটা বড় বিষয় নয়। শত বছর ধরে আমাদের এলাকায় এই উৎসব হয়ে আসছে।’
"গতকাল বাজারে উৎসবের ঘোষণা শুনে আজ পলো বাওয়া দেখতে এসেছি। গ্রামবাংলার চমৎকার দৃশ্য। সব বয়সের মানুষ পলো নিয়ে মাছ ধরতে নেমেছেন। যাঁদের পলো নেই, তাঁরাও জাল নিয়ে নেমেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মৌলভীবাজার, কমলগঞ্জ উপজেলা, ধলাই নদী, রহিমপুর ইউনিয়ন, মির্তিঙ্গা সেতু এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদিকুল ইসলাম, জসিম আহমেদ, স্থানীয় মৎস্য শিকারিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: শতাধিক মানুষ, সকাল ১০টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!