📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানিকছড়ির শতবর্ষী বাজার শেড দখলমুক্তের দাবিতে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধনে বাধা দেন রাজনীতিবিদদের বাণিজ্যিক দখলকে কেন্দ্র করে

মানিকছড়ির শতবর্ষী বাজার শেড দখলমুক্তের দাবিতে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধনে বাধা দেন রাজনীতিবিদদের বাণিজ্যিক দখলকে কেন্দ্র করে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় শতবর্ষী রাজবাজারের বাজার শেড অবৈধ দখলমুক্তের দাবিতে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন করে। তারা দাবি করেন, রাজনীতিবিদদের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা শেড দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছে যা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকা হুমকির মুখে ফেলেছে

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার শতবর্ষী রাজবাজারে বাজার শেড অবৈধ দখলমুক্তের দাবিতে ব্যবসায়ীরা বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন করে। এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আফরোজ ভূঁইয়ার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মানববন্ধনে শতবর্ষী রাজবাজারের বাজার শেডের অবৈধ দখলমুক্তের দাবি জানান ৫০-এর অধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী
  • 📌 ১৯৮৪ সালের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১০৪ ফুট দীর্ঘ ও ৪০ ফুট প্রস্থের পুরোনো স্কুল ভবনের জায়গায় নির্মিত শেডটিকে আশ্রয়স্থল করে নেওয়া ব্যবসায়ীদের জায়গা হারানোর আশঙ্কা
  • 📌 ২০১৮-১৯ সালে শেডটিকে ইজারা দেওয়া হয় এবং সেখানে পাঁচতলা বাণিজ্যিক ভবন নির্মিত হয়, যা আওয়ামী লীগের ১২ জন নেতার সাথে যুক্ত
  • 📌 ব্যবসায়ীদের দাবি: উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীনসহ ১২ জন নেতা ওই ভবনের সঙ্গে যুক্ত, যার কারণে শেড দখল করা হয়েছে
  • 📌 বিএনপির নেতারা মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে ব্যবসায়ীদের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন

📰 বিস্তারিত

মানিকছড়ি উপজেলার শতবর্ষী রাজবাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মংরাজা মংপ্রুসাইন বাহাদুরের রাজপ্রাসাদের প্রধান ফটকের সামনে। একসময় বাজারের মাঝখানে ছিল খোলা মাঠ, যেখানে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করত। ১৯৬৬ সালে রাজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু ১৯৮৪ সালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বাজারের পাশাপাশি বিদ্যালয়টিও পুড়ে যায়। পরে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার কথা বিবেচনা করে রাজা মংপ্রুসাইন বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করেন। বাজার ব্যবসায়ীরা আগুনে পুড়ে যাওয়া বিদ্যালয় ভবনের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে সেখানে একটি বাজার শেড নির্মাণ করেন।

ব্যবসায়ীদের দাবি, পরবর্তীকালে বাজারের খোলা জায়গাগুলোতে দোকানের প্লট তৈরি করে ব্যক্তি পর্যায়ে ইজারা দেওয়ার প্রথা চালু হয়। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসার জায়গা সংকুচিত হয়ে আসে। ২০১৮-১৯ সালে শেডটিকে ইজারা দেওয়া হয় এবং সেখানে পাঁচতলা বাণিজ্যিক ভবন নির্মিত হয়। বর্তমানে সেখানে ব্যাংক, বিমা সহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এই ভবন নির্মাণে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীনসহ অন্তত ১২ জন নেতা জড়িত।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, পুরোনো শেডে ব্যবসা করা প্রায় অর্ধশত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জায়গা হারিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের মধ্যে মুরগি বিক্রেতা আলী নেওয়াজ এবং জামা-কাপড় বিক্রেতা মাওলানা আবদুর রহমানসহ অনেকেই সড়কের পাশে পসরা সাজিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তারা দাবি জানান, পুরোনো বাজার শেডটি পুনরুদ্ধার এবং সেখানে নির্মিত বহুতল ভবন সরিয়ে পুনরায় বাজার শেড নির্মাণের দাবি জানান।

"আমাদের পুরোনো বাজার শেডটি পুনরুদ্ধার করতে হবে। এখানে ব্যবসা করে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকা রক্ষার জন্য শেড দখলমুক্ত করতে হবে।"

এ সময় আবুল আব্বাস নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তাঁর প্রয়াত বাবা ও সাবেক খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য হাজি আবু তাহেরের ওয়ারিশি সম্পত্তি উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে দখল করেছেন। মহামুনি জামে মসজিদের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য জয়নাল মেম্বারও জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, মহামুনি বাসস্ট্যান্ডে বহুতল ভবন সম্প্রসারণের নামে মসজিদের জায়গা দখল করা হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মানিকছড়ি উপজেলা, খাগড়াছড়ি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জয়নাল আবেদীন, আলী নেওয়াজ, মাওলানা আবদুর রহমান, আবুল আব্বাস, জয়নাল মেম্বার, ইউএনও তাহমিনা আফরোজ ভূঁইয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৪ ফুট (স্কুল ভবনের দৈর্ঘ্য), ৪০ ফুট (প্রস্থ), ১৯৮৪ (অগ্নিকাণ্ডের বছর), ২০১৮-১৯ (শেড ইজারা দেওয়ার বছর), ১২ জন (আওয়ামী লীগ নেতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖