📌 বরগুনার তালতলী উপজেলার ফকিরহাট এলাকায় মাছ ধরার পর ফেরার পথে বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলার ডুবে যায়। ১৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কোনো প্রাণহানি ঘটেনি
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার পর ফেরার পথে একটি ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে বরগুনার তালতলী উপজেলায়। উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে ১৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাস্থল তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ সরকারের নিশ্চয়তা অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরগুনার তালতলী উপজেলার ফকিরহাট এলাকায় মাছ ধরার পর ফেরার পথে ট্রলার ডুবে যায়
- 📌 ১৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি
- 📌 উদ্ধারকৃত ১৪ জেলের মধ্যে ১৩ জন তালতলী উপজেলার এবং ১ জন সাতক্ষীরার বাসিন্দা
- 📌 উত্তাল সাগরে ডুবে যাওয়া ট্রলারের নাম ‘এফবি মায়ের দোয়া’
- 📌 উদ্ধারকৃত জেলেরা বর্তমানে নিরাপদে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপকূল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে ফকিরহাট এলাকায় ‘এফবি মায়ের দোয়া’ নামের ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারের মালিক উপজেলার নিদ্রা এলাকার জাফর মিয়া। মাছ ধরার পর ফেরার পথে উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। স্থানীয় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মাঝি রাজু মিয়া জানান, খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয় জেলেরা সহায়তা করে ১৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত জেলেরা বর্তমানে নিরাপদে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে সাগর উত্তাল থাকায় ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মজিবর ফরাজী জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ঘাটে থাকা জেলেদের ট্রলার পাঠিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে।
ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মাঝি সেলিম মিয়া ও উদ্ধারকারী ট্রলারের মাঝি রাজু মিয়া উদ্ধার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উদ্ধারকৃত জেলেরা বর্তমানে তাদের বাড়িতে ফিরে গেছেন।
"আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং গতকাল রাত আটটার দিকে সাগরে ভাসতে ১৪ জেলেকেই অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করি। তবে সাগর উত্তাল থাকায় ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরগুনার তালতলী উপজেলা, ফকিরহাট এলাকা, বঙ্গোপসাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অতীশ সরকার (ইউএনও), মজিবর ফরাজী (সভাপতি), রাজু মিয়া (মাঝি), জাফর মিয়া (ট্রলার মালিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ জন জেলে, ১০ কিলোমিটার দূরে ঘটনা, ১৩ জন তালতলী উপজেলার, ১ জন সাতক্ষীরার বাসিন্দা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!