📌 মাগুরা-শ্রীপুর বাইপাসের ২৪৭ কোটি টাকার প্রকল্পে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে সড়কের মাঝে ১২টি বিদ্যুতের খুঁটি ও জমি অধিগ্রহণের মামলা কাজ বন্ধ রেখেছে। স্থানীয়দের যানজট ও দুর্ভোগ বাড়ছে
মাগুরা-শ্রীপুর বাইপাসের ২৪৭ কোটি টাকার প্রকল্পে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ রয়েছে। সড়কের মাঝখানে ১২টি বিদ্যুতের খুঁটি এবং জমি অধিগ্রহণের ডজনখানেক মামলা প্রকল্পের বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের যানজট ও চলাচলের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিচ্ছে এই বিলম্ব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাগুরা-শ্রীপুর বাইপাসের ৮ কিলোমিটার সড়ক ও ২০২ মিটার সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে
- 📌 সড়কের মাঝখানে ১২টি বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণ না করায় প্রকল্পের ৬৫% কাজ সম্পন্ন হলেও পুরোপুরি কাজ শেষ হতে পারছে না
- 📌 ওজোপাডিকোকে ১৫ লাখ টাকা ও মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে ৫ লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও খুঁটি অপসারণ হয়নি
- 📌 জমি অধিগ্রহণের মামলায় ৬০% জমি বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি, যা প্রকল্পের বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করছে
- 📌 ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান শামীম চাকলাদার বলেছেন, নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ার কারণে তাদের ক্ষতি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী থেকে নিজনান্দুয়ালী মাঠবাড়ি পর্যন্ত ২০২০ সালের আগস্টে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় ৮ কিলোমিটার বাইপাস সড়ক ও ২০২ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ২৪৭ কোটি টাকা। তবে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পরেও প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। প্রকল্পের ৬৫% কাজ সম্পন্ন হলেও সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি এবং জমি অধিগ্রহণের মামলা কাজ বন্ধ রেখেছে।
সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য গত জুনে ওজোপাডিকোকে ১৫ লাখ টাকা এবং মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে ৫ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল। তবে খুঁটি অপসারণের কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ঘোষ বলেছেন, খুঁটি অপসারণের প্রক্রিয়া চলছে, তবে দরপত্র আহ্বান করা সম্ভব হয়নি।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক মো. মহিদুল ইসলাম জানান, তাদের অধীনে থাকা ১০টি খুঁটি অপসারণ করা হয়েছে এবং এর জন্য ৪ লাখ ২৩ হাজার ৬৮৫ টাকা ব্যয় হয়েছে। তবে সড়কের মাঝখানে এখনও বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে।
সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী শিমুল হোসাইন বলেছেন, জমি অধিগ্রহণের মামলায় জড়িত ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তারা দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করে কাজ শুরু করার আশা প্রকাশ করেছেন।
"নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ছে। এতে আমাদের ক্ষতি হয়ে গেছে। সরকার জমি এখনো সব বুঝিয়ে দেয়নি। এখন বিপদে পড়ে আছি।"
— ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান শামীম চাকলাদারের ব্যবস্থাপক শাহাদত হোসেন
স্থানীয় বাসিন্দা জান্নাত সুলতানা বলেছেন, সড়কের উন্নয়ন প্রকল্পের সব প্রস্তুতি শেষ হলেও রাস্তার মাঝখানে খুঁটির কারণে কাজ আটকে আছে। তিনি বলেন, রাতে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা অনেক ঝুঁকিপূর্ণ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাগুরা-শ্রীপুর বাইপাস, পারনান্দুয়ালী থেকে নিজনান্দুয়ালী মাঠবাড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মহিদুল ইসলাম (মহাব্যবস্থাপক), পলাশ কুমার ঘোষ (নির্বাহী প্রকৌশলী), শাহাদত হোসেন (ব্যবস্থাপক), জান্নাত সুলতানা (বাসিন্দা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২টি খুঁটি, ২৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ, ৮ কিলোমিটার সড়ক, ২০২ মিটার সেতু, ৬৫% কাজ সম্পন্ন, ১৫ লাখ টাকা ওজোপাডিকোকে, ৫ লাখ টাকা মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!