📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যশোরের ৫ যুবক লিবিয়ায় পাড়ি জমানোর পর তিন বছর ধরে নিখোঁজ: মানব পাচার চক্রের অভিযোগে দালালের বিরুদ্ধে মামলা

যশোরের ৫ যুবক লিবিয়ায় পাড়ি জমানোর পর তিন বছর ধরে নিখোঁজ: মানব পাচার চক্রের অভিযোগে দালালের বিরুদ্ধে মামলা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরের শার্শা উপজেলার পাঁচ যুবক কাজের আশায় লিবিয়ায় পাড়ি জমানোর পর তিন বছর ধরে নিখোঁজ। দালাল সোহাগের মাধ্যমে যাত্রা করে তারা, কিন্তু পরিবারের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মানব পাচার চক্রের অভিযোগে দালালের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত করছে

যশোরের শার্শা উপজেলার পাঁচ যুবক তিন বছর আগে কাজের আশায় লিবিয়ায় পাড়ি জমানোর পর থেকে নিখোঁজ। দালালের মাধ্যমে যাত্রা করে তারা, কিন্তু পরিবারের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মানব পাচার চক্রের অভিযোগে দালাল সোহাগের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ধান্যখোলা গ্রামের পাঁচ যুবক — ইয়াসিন আরাফাত, আনোয়ার হোসেন, রানা হোসেন, শাহিন আলম ও মেহেদী হাসান — তিন বছর আগে কাজের আশায় লিবিয়ায় পাড়ি জমানোর পর থেকে নিখোঁজ
  • 📌 দালাল সোহাগের মাধ্যমে যাত্রা করে তারা, ৯ থেকে ১২ লাখ টাকা করে দিয়েছিলেন পরিবার
  • 📌 পরিবার অভিযোগ করে, সোহাগের বাবা মফিজুর রহমানও জড়িত থাকতে পারে, কিন্তু তিনি নিজে টাকা নেওয়ার বিষয় অস্বীকার করেন
  • 📌 নিখোঁজ যুবকদের পরিবার মনে করে, তারা কোথাও আটকে রাখা হতে পারে
  • 📌 শার্শা থানার তদন্ত কর্মকর্তা আশিস সরকার বলেন, ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে
  • 📌 একই সময়ে নড়াইল, বাগেরহাট ও ফরিদপুরের প্রায় ৩৫ যুবকও লিবিয়ায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ রয়েছেন

📰 বিস্তারিত

কাজের আশায় যশোরের শার্শা উপজেলার ধান্যখোলা গ্রামের পাঁচ যুবক তিন বছর আগে লিবিয়ায় পাড়ি জমানোর পর থেকে পরিবারের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই পাঁচ যুবকের নাম হলেন ইয়াসিন আরাফাত (আবু মোছারের ছেলে), আনোয়ার হোসেন (মশিয়ারের ছেলে), রানা হোসেন (আরশাদের ছেলে), শাহিন আলম (আব্দুলের ছেলে) ও মেহেদী হাসান (হাসেমের ছেলে)। তারা দালাল সোহাগের মাধ্যমে লিবিয়ায় যাত্রা করেছিল।

পরিবার জানায়, উন্নত জীবনের আশায় তারা সন্তানদের বিদেশে পাঠানোর জন্য জমিজমা ও সহায়সম্বল বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে টাকা জোগাড় করেছিল। সোহাগের কথামতো, তাঁদের বাবা, মা ও বোনের হাতেও টাকা দেওয়া হয়েছিল। তবে সোহাগের বাবা মফিজুর রহমান স্বীকার করেন, সোহাগ বিদেশে লোক পাঠাতেন এবং প্রায় তিন বছর ধরে লিবিয়ায় আছেন। কিন্তু তিনি নিজে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিদেশে যাওয়ার পর প্রথম দিকে সোহাগ তাঁদের সঙ্গে নিখোঁজ যুবকদের কথা বলিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এমনকি তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনা ও টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও বলেন। কিন্তু গত তিন বছরেও কোনো প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। একপর্যায়ে সোহাগও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরিবার মনে করে, নিখোঁজ যুবকদের কোথাও আটকে রাখা হতে পারে।

শহরের স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একই সময়ে লিবিয়ায় যাওয়ার পথে নড়াইল, বাগেরহাট ও ফরিদপুরের আরও প্রায় ৩৫ যুবক নিখোঁজ রয়েছেন। শাহিন আলমের মা বলেন, দালালের কথায় ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়ে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়েছেন। এখন ছেলেকেও হারিয়েছেন। স্থানীয় কয়েকজন মাতবর সালিসের নামে আর্থিক সুবিধা নিলেও সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো সহযোগিতা করেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিন বছর ধরে এই পাঁচজনের সন্ধান না পেয়ে অবশেষে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। মানব পাচার চক্রের সদস্য সোহাগের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শার্শা থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশিস সরকার বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগের বিষয়গুলো যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

"আমাদের সন্তানদের কোথাও আটকে রাখা হতে পারে। দালাল সোহাগের বাবা মফিজুর রহমানও জড়িত থাকতে পারে, কিন্তু তিনি নিজে টাকা নেওয়ার বিষয় অস্বীকার করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোরের শার্শা উপজেলা, ধান্যখোলা গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়াসিন আরাফাত, আনোয়ার হোসেন, রানা হোসেন, শাহিন আলম, মেহেদী হাসান, সোহাগ, মফিজুর রহমান, আশিস সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন যুবক, ৯ থেকে ১২ লাখ টাকা, ৩৫ জন যুবক (নড়াইল, বাগেরহাট, ফরিদপুর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖