📌 কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা রেনু মিয়া হাতকড়া পরিয়ে পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর ৭ জন স্বজনকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে নারীদের জড়ো হওয়ায় রেনু মিয়া পালাতে সক্ষম হন।
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় আজ সোমবার দুপুরে একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা রেনু মিয়া পুলিশের হাত থেকে হাতকড়া পরিয়ে পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর ৭ জন স্বজনকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থল ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতা রেনু মিয়া হাতকড়া পরিয়ে পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যান
- 📌 পালিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর ৭ জন স্বজনকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়
- 📌 ঘটনাস্থলে ২০ থেকে ২৫ জন নারীসহ লোকজন জড়ো হয় এবং রেনু মিয়াকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানায়
- 📌 রেনু মিয়া কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির কার্যালয় পোড়ানোর অভিযোগে মামলার আসামি
- 📌 পুলিশ রেনু মিয়ার পিছু নিলেও তিনি বাড়ির পেছনে চলে যান এবং মুহূর্তের মধ্যে অদৃশ্য হন
📰 বিস্তারিত
কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় আজ দুপুর ১২টার দিকে পুলিশের পাঁচ-ছয়জন সদস্য রেনু মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। রেনু মিয়া ঘরের ভেতরে থাকায় পুলিশ তাঁকে ধরেই হাতকড়া পরান। কিন্তু বাইরে উঠানেই লোকজন জড়ো হতে শুরু করে। ২০ থেকে ২৫ জন নারীসহ লোকজন রেনু মিয়াকে ঘিরে ফেলে। পুলিশ তাঁকে নিয়ে সামনে আগানোর চেষ্টা করলেও নারীরা পথ আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় রেনু মিয়া সুযোগ পেয়ে হাতকড়া পরিয়ে পালিয়ে যান। পুলিশ তাঁর পিছু নিলেও তিনি মুহূর্তের মধ্যে বাড়ির পেছনে গিয়ে চোখের আড়ালে চলে যান।
পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। রেনু মিয়া ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, গ্রেপ্তার করার পর রেনু মিয়াকে দেখতে ভিড় জমে যায়। সেই সুযোগে তিনি পালিয়ে যান। পুলিশ রেনু মিয়ার সাতজন স্বজনকে আটক করে নিয়ে যায়। এ ছাড়া তাঁর একটি মোটরসাইকেলও থানায় নেওয়া হয়েছে।
কুলিয়ারচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোবারক হোসেন জানান, রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার এবং হাতকড়া উদ্ধারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রেনুকে গ্রেপ্তার করা না গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে। রেনু মিয়া কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির কার্যালয় পোড়ানোর অভিযোগে মামলার আসামি। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে।
"রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা না গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে"
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রেনু মিয়া ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা হলেও উপজেলা পর্যায়েও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর তিনি আড়ালে চলে যান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ছয়সূতি ইউনিয়ন, মাধবদী এলাকা, কুলিয়ারচর উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেনু মিয়া (আওয়ামী লীগ নেতা), মোবারক হোসেন (কুলিয়ারচর থানার পরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন স্বজন আটক, ৯ নম্বর ওয়ার্ড, ২০-২৫ জন নারীসহ লোকজন, ১২ টা, ৯টা ৪০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!