📌 বসুন্ধরা এলাকায় গাড়িতে আগুন দেওয়ার মামলায় সাবেক মেজর সাদিকুল হকের কারামুক্তির আবেদনে আদালত সম্মতি দিয়েছেন। পুলিশের অভিযোগের বিরুদ্ধে আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, তিনি কারাগারে থাকাকালীন সময়ে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন না
রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হকের কারামুক্তির পথ সুগম হয়েছে। আদালত পুলিশের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগার থেকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আদালত সাবেক মেজর সাদিকুল হকের বিরুদ্ধে গাড়ি পোড়ানোর মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।
- 📌 ঘটনার সময় সাদিকুল কারাগারে ছিলেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
- 📌 পুলিশের অভিযোগ অনুসারে, সাদিকুল সেনাবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় গোপন সভা আয়োজন করেছিলেন।
- 📌 মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই ভাটারা থানায়।
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাবেক মেজর সাদিকুল হকের বিরুদ্ধে আদালতের রায় সুবিচারের পথ প্রশস্ত করেছে। আদালত পুলিশের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারামুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়।
সাদিকুলের আইনজীবী এইচ এম আল আমিন দাবি করেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই। তিনি বলেন, ‘আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই। তাই তাঁর কারামুক্তিতে বাধা নেই। আশা করছি, খুব শিগগির তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন।’
গাড়ি পোড়ানো এই ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জ্যোতির্ময় মন্ডল বাদী হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় সাদিকুলকে গ্রেপ্তার দেখাতে ৭ আগস্ট আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত আসামির উপস্থিতিতে আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেন গত সোমবার। সেদিন মেজর সাদিকুলকে আদালতে হাজির করা হয়।
‘ঘটনার সময় আসামি কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থেকে তিনি কীভাবে গাড়ি পোড়ান?’ — সাদিকুলের আইনজীবী এইচ এম আল-আমিন আদালতে প্রশ্ন তোলেন।
আদালত ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. চাঁদ আলীর কাছে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চান। আজ তাঁরা আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেন। পুলিশের লিখিত ব্যাখ্যায় বলা হয়, সেনাবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় ২০২৫ সালের ৩ থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পাশের কেবি কনভেনশন হলে গোপন সভা করেন সাদিকুল। সেখানে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং দল দুটির কার্যক্রম গতিশীল করতে ওই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ (জুলাই), ৭ (আগস্ট), ৩-৮ (জুলাই), ১১ (নভেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!