📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কিশোরগঞ্জের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে মাদকাসক্তির কারণে পাঁচ শিশু বিক্রি: অভিযোগে জাকির মিয়া ও পরিবারের লোকজন

কিশোরগঞ্জের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে মাদকাসক্তির কারণে পাঁচ শিশু বিক্রি: অভিযোগে জাকির মিয়া ও পরিবারের লোকজন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে গত ছয় বছরে পাঁচটি শিশুকে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মাদকাসক্তি ও দারিদ্র্যের কারণে পরিবার নিজের সন্তান বিক্রি করছে। জাকির মিয়া ও তার পরিবারসহ অভিযুক্তদের মধ্যে একজন ‘বল জাকির’। কটিয়াদী থানার ওসি জানান, জাকির মিয়া অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে মাদকাসক্তি ও দারিদ্র্যের কারণে পরিবার নিজের সন্তান বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ছয় বছরে এখানকার পাঁচটি শিশুকে বিক্রি করা হয়েছে বলে গ্রামবাসীর অভিযোগ। এর মধ্যে চারটি ঘটনা ঘটেছে গত দুই বছরে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে গত ছয় বছরে পাঁচটি শিশু বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ — চারটি ঘটনা গত দুই বছরে
  • 📌 জাকির মিয়া ও তার স্ত্রী ফারজানা বেগমের নবজাতক ছেলেকে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ — জাকির মিয়া বলেন, তিনি কিছুই জানতেন না
  • 📌 ‘বল জাকির’ ও তার স্ত্রী ফেরদৌসী বেগমের তৃতীয় সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ — মাদকাসক্তির কারণে
  • 📌 সাদ্দাম হোসেন ও তার স্ত্রী সোহেনা বেগমের নবজাতক ছেলে আলহাতকে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ — গ্রামের প্রতিবেশীরা জানান
  • 📌 কটিয়াদী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, জাকির মিয়া অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন
  • 📌 গ্রামে মাদকাসক্তির কারণে পরিবার নিজের সন্তান বিক্রি করছে — প্রতিবেশীরা বলেন, ‘মাদকপুক্ষিয়া’ হয়ে গেছে গ্রামটি

📰 বিস্তারিত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে মাদকাসক্তি ও দারিদ্র্যের কারণে পরিবার নিজের সন্তান বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রামের লোকজনের অভিযোগ, গত ছয় বছরে এখানকার পাঁচটি শিশুকে বিক্রি করেছেন তাদেরই বাবা-মায়েরা। এর মধ্যে চারটি ঘটনা ঘটেছে গত দুই বছরে।

জাকির মিয়া ও তার স্ত্রী ফারজানা বেগমের নবজাতক ছেলেকে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ। জাকির মিয়া বলেন, তিনি কিছুই জানতেন না। ফারজানা বেগমের জন্মদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিনি শিশুটিকে বিক্রি করে দেন বলে ৬ সেপ্টেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন জাকির মিয়া। তিনি অভিযোগ করেছেন স্ত্রী, স্বজনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে। জাকির মিয়া বলেন, ‘পুতের মুখটাও দেখতে পারলাম না। এখন তিন বাচ্চার একটাও আমার কাছে নাই। আমার পুত কোনখানে আছে, তা-ও জানি না। বউও নাকি জানে না।’

অন্যদিকে, ‘বল জাকির’ ও তার স্ত্রী ফেরদৌসী বেগমের তৃতীয় সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। গ্রামের প্রতিবেশীরা বলেন, এই দম্পতি দুজনই মাদকাসক্ত ছিলেন। শিশু বিক্রির অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লে বছরখানেক আগে ফেরদৌসী দুই সন্তান নিয়ে অন্যত্র চলে যান। বল জাকির বলেন, ‘নেশাফেশার টেহার লাইগ্গা এই সব কিছু না, পালক দিছি’। তবে কার কাছে দিয়েছেন সেটা তিনি বলতে পারেননি।

সাদ্দাম হোসেন ও তার স্ত্রী সোহেনা বেগমের নবজাতক ছেলে আলহাতকে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। প্রতিবেশী রেহেনা বেগম (৬০) বলেন, সাদ্দাম গত এক দশকে তিনটি বিয়ে করেছেন এবং তিনি মাদকাসক্ত। প্রথম স্ত্রীর মেয়েকে ছয় বছর আগে অন্যের কাছে দিয়ে দিয়েছিলেন। সোহেনা বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে আলহাতের হদিস কারও জানা নেই।

গ্রামের প্রতিবেশীরা বলছেন, মাদকের কারণে সব শেষ। ঘর শেষ, বাড়ি শেষ। অহন নিজের পুতও বিক্রি শুরু করছে। কটিয়াদী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, জাকির মিয়া তাঁর অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন। সেদিন সকালে জাকিরের বাড়ির কাছের মুদিদোকানটিতে কয়েকটি শিশু বিক্রি নিয়ে কথা বলছিলেন।

"চরপুক্ষিয়া আর চরপুক্ষিয়া নাই। মাদকপুক্ষিয়া হয়ে গেছে। মাদকের কারণে সব শেষ। ঘর শেষ, বাড়ি শেষ। অহন নিজের পুতও বেছা শুরু করছে।"

— প্রতিবেশী সুমন মিয়া

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রাম, কটিয়াদী উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাকির মিয়া, ফারজানা বেগম, ‘বল জাকির’, ফেরদৌসী বেগম, সাদ্দাম হোসেন, সোহেনা বেগম, ওসি রফিকুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হাজার টাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২৯ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖