📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামে ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে পার্সেল আত্মসাত চেষ্টা: গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল ও পালিয়ে যাওয়া সহযোগী

চট্টগ্রামে ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে পার্সেল আত্মসাত চেষ্টা: গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল ও পালিয়ে যাওয়া সহযোগী

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়িতে ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে পার্সেল আত্মসাতের চেষ্টা করে গ্রেপ্তার হন কুমিল্লা পুলিশের কনস্টেবল কৃষাণ বড়ুয়া। তার সঙ্গে থাকা নোটন বড়ুয়া পালিয়ে যায়। কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায়ীদের বুকিং দেওয়া পার্সেলগুলো জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়

চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়িতে ভুয়া পরিচয়ে পার্সেল আত্মসাতের চেষ্টা করে গ্রেপ্তার হন কুমিল্লা পুলিশের কনস্টেবল কৃষাণ বড়ুয়া। ঘটনাস্থলে তার সঙ্গে থাকা নোটন বড়ুয়া পালিয়ে যান। এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসের প্রধান শাখা থেকে এই ঘটনা ঘটে সোমবার রাতে। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল কবিরের তথ্য অনুযায়ী, কৃষাণ বড়ুয়া কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি শাখায় কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় অবস্থিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রাম কাজীর দেউড়িতে ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে পার্সেল আত্মসাতের চেষ্টা করে গ্রেপ্তার হন কুমিল্লা পুলিশের কনস্টেবল কৃষাণ বড়ুয়া
  • 📌 তার সঙ্গে থাকা নোটন বড়ুয়া পালিয়ে যান; ঘটনায় কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায়ীদের বুকিং দেওয়া পার্সেলগুলো জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়
  • 📌 কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল কবিরের তথ্য অনুযায়ী, এস এ পরিবহন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে
  • 📌 কুরিয়ার ব্যবস্থাপক মোরশেদ আলম চৌধুরী জানান, আগের ঘটনায়ও প্রতারকরা অস্ত্র প্রদর্শন করে পার্সেল আত্মসাতের চেষ্টা করেছিল
  • 📌 রেয়াজউদ্দিন বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ী ঘটনাস্থলে ভিড় করে; পুলিশ ও র্যাবের আগের অভিযানে কোটি টাকার বিদেশি সিগারেটের পার্সেল জব্দ করা হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়িতে এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসের প্রধান শাখায় সোমবার রাতে ঘটে ভুয়া পরিচয়ে পার্সেল আত্মসাতের চেষ্টা। কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা জানান, রেয়াজউদ্দিন বাজারের ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রামের বাইরে বিভিন্ন স্থানে পাঠানোর জন্য পার্সেলগুলো বুকিং দিয়েছিলেন। সোমবার রাতে মোটরসাইকেলে দুজন ব্যক্তি কুরিয়ারের কাউন্টারে আসেন। তাঁদের একজন পুলিশ ও অন্যজন র্যাবের সদস্য পরিচয় দিয়ে পার্সেলগুলোর ভেতরে অবৈধ মালামাল আছে বলে দাবি করেন। পরে তাঁরা পার্সেলগুলো জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

কুরিয়ার ব্যবস্থাপক মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, ‘তাঁদের আচরণ দেখে আমাদের সন্দেহ হওয়ায় পার্সেলগুলো নিতে বাধা দিই। এ সময় তাঁরা আমাদের গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়েছিলেন।’ তিনি আরও জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর একই কায়দায় প্রতারক চক্র তাঁদের এক গ্রাহকের বুকিং দেওয়া তিনটি কার্টন জোর করে নিয়ে গিয়েছিল। মোটরসাইকেলে এসে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তিরা অস্ত্রও প্রদর্শন করেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।

মোরশেদ আলম চৌধুরী জানান, আগের ঘটনার পর থেকে সতর্ক থাকায় সোমবার রাতে আসা দুজনের সন্দেহজনক আচরণ দেখে একজনকে তাঁর কক্ষের ভেতরে আটকে রাখা হয়। পরে কোতোয়ালি থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ আসতে দেরি হওয়ায় ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হয়। কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে কৃষাণ বড়ুয়াকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে বলে জানান তিনি। জিজ্ঞাসাবাদে কৃষাণ বড়ুয়া কুমিল্লা পুলিশে কর্মরত থাকার কথা জানান। তিনি দাবি করেন, তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তি টোটন বড়ুয়া একজন সেনাসদস্য।

"পার্সেল তিনটিতে কী ধরনের পণ্য ছিল, তা আমরা জানি না। এসব শুধু জানেন যিনি বুকিং দিয়েছেন এবং যাঁর কাছে পণ্যগুলো পাঠানো হচ্ছে।"

পুলিশের ধারণা, অবৈধ কোনো মালামাল বুকিংয়ের তথ্য পেয়ে প্রতারক চক্রের সদস্যরা পার্সেলগুলো আত্মসাতের চেষ্টা করে থাকতে পারেন। কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানে পার্সেল আত্মসাতের খবর পেয়ে রেয়াজউদ্দিন বাজার থেকে শতাধিক ব্যবসায়ী সেখানে ভিড় করেন। এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসের কাজীর দেউড়ি শাখায় বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানের বিভিন্ন অবৈধ মালামাল জব্দ করেছিল পুলিশ ও র‌্যাব। সম্প্রতি কয়েক দফায় ওই প্রতিষ্ঠান থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা কোটি টাকার বিদেশি সিগারেটের বেশ কিছু পার্সেল জব্দ করা হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কাজীর দেউড়ি, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষাণ বড়ুয়া (কুমিল্লা পুলিশ কনস্টেবল), নোটন বড়ুয়া (পালিয়ে যাওয়া সহযোগী), মোরশেদ আলম চৌধুরী (কুরিয়ার ব্যবস্থাপক), মো. জাহিদুল কবির (কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ সেপ্টেম্বর (পূর্ববর্তী ঘটনা), ৯৯৯ (পুলিশ হেল্পলাইন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖